দোয়ার গুরুত্ব

  • Posted: 25/11/2020

অনুবাদঃ মোঃ শহিদুল হক

দোয়া করা পরোয়ারদেগারের সাথে এক ধরনের আত্মিক ও রুহানী সম্পর্ক স্থাপন করাকে বুঝায়। যদি দোয়া না থাকতো, তাহলে মানুষের কোন মূল্যই হতো না। সমস্ত নেক ও উত্তম কাজগুলো আল্লাহর নিকট দোয়া ও তাঁর দাসত্ব প্রকাশের মাধ্যমেই মহামূল্যবান হয়।

পবিত্র কোরআন রাসুল (সাঃ)কে উদ্দেশ্য করে বলেনঃ “কুল মা ই‘য়াবাদু বেকুম রাব্বী লাও লা দুয়ায়ুকুম”(সূরা আল-ফুরকানঃ ৭৭) বলঃ “আমার পালনকর্তা পরওয়া করেন না যদি তোমরা তাঁকে না ডাক।”

দোয়া প্রত্যেক মানুষের জীবনের একটি মৌলিক ও আত্মিক চাহিদা। যখন মানুষ কোন ক্ষেত্রে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে, ক্লান্ত ও নিরাশ হয়ে পড়ে, তখন নিরুপায় হয়ে একমাত্র মহান সত্ত্বা ও বিশ্ব স্রষ্টার কাছে নত হয়ে আকুতি-মিনতি করে। তার গোপন ব্যাথাগুলো মুখে প্রকাশ করে এবং পরম দয়ালুদাতা আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দেয়।

কোরআনের দৃষ্টিতে দোয়া ও ইবাদতঃ

এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর দরবারে দোয়া ও সাহায্য প্রার্থনা করা মানুষের জীবনে এক পুরস্কারস্বরূপ। প্রশান্তির অনুভূতি, আত্মবিশ্বাস, নিকৃষ্ট উপাদান যথাঃ অহংকার, গর্ব, স্বার্থপরতা থেকে দুরে থাকা, নৈতিকতা ও পূর্ণতার দিকে ধাবিত হওয়া, অশোভন ও জীবনের সংকটময় বিপদের আশঙ্কাকে দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করা, মোটকথা বস্তুগত ও পার্থিব জগতের প্রতি ভালবাসা থেকে দুরে থেকে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার জন্য একমাত্র তাঁর কাছে আমাদের দোয়া ও প্রার্থনার মাধ্যমেই তা সম্ভব।

পবিত্র কোরআন আমাদের জীবনের সংকটময় সময়ে দোয়ার প্রভাব ও তার উপকারীতা সর্ম্পকে বলেনঃ “তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পরোয়ারদেগারের নিকট, তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদকে মঞ্জুরী দান করলেন যে, আমি তোমাদিগকে সাহায্য করবো ধারাবাহিকভাবে আগত হাজার ফেরেস্তার মাধ্যমে। আর আল্লাহ তো শুধু সুসংবাদ দান করলেন যাতে তোমাদের মন আশ্বস্ত হতে পারে। আর সাহায্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে হতে পারে না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তির অধিকারী, হেকমতওয়ালা।”(সূরা আনফালঃ ৯)

পয়গাম্বার (সাঃ) এর দোয়া, প্রার্থনা ও মোনাজাত এক বিশেষ উজ্জ্বলময় বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলো। তিনি বিশেষ মুহুর্তে এরকম দোয়া করতেনঃ “হে আমার পরোয়ারদেগার! যে প্রতিশ্রুতি আমাকে দিয়েছ তা বাস্তবায়িত কর। হে আমার মা'বুদ! যদি এই মুসলমান দলটি ধবংস হয়ে যায় তাহলে যমিনে তোমার এবাদাতের বিঘ্ন ঘটবে।”

এ ছাড়া রাসুল করীম (সাঃ) তাঁর হাত দু’টো উপরে তুলে আল্লাহর দরবারে এমন ভাবে প্রার্থনা ও সাহায্য চাওয়ায় মশগুল হতেন যে তাঁর আবাটা পর্যন্ত তাঁর পবিত্র ঘাড়ের উপর থেকে নিচে পড়ে যেত।

বিভিন্ন যুদ্ধে দোয়া করাঃ

হযরত পয়গাম্বার (সাঃ) বিভিন্ন যুদ্ধে সৈন্যদের রন কৌশল ও নানান রাজনৈতিক পরিকল্পনার সাফল্যের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করতেন। সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার দিনগুলোতে শত্র“দের উপর বদদোয়া করতেন যা বুধবার দিনের জোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়াগুলো কবুল হতো আর মুসলমানেরা পয়গাম্বার (সাঃ) এর প্রফুল্ল ও আনন্দময় চেহারা দেখতে পেতেন।

প্রার্থনাকারী মুসলমানদের শিক্ষাঃ

হযরত খাতেমুল আম্বিয়া (সাঃ) এর যুগে মুসলমানেরা নবীর আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রত্যাদেশ ও এবাদাতের মধ্যেই বড় হয়ে শরয়ী ও দ্বীনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট চেষ্টা করতেন। তারা কিশোর বয়সে ইসলাম কবুল করার সাথে সাথেই ইবাদাত, বন্দেগী ও আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা শুরু করে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখেন। তাঁরা পয়গাম্বার (সাঃ) থেকে শিক্ষা নিয়েছিলেন যে, হযরত সুলাইমান (আঃ) এর মা তাঁকে বলেছিলেনঃ হে আমার সন্তান! রাতের বেলা বেশি ঘুমাবে না, কেননা, রাতের বেলা বেশি ঘুমালে মানুষ কিয়ামতের দিন দরিদ্র ও অভাবগ্রস্থে পরিণত হবে।

পয়গাম্বার (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রমজান মাসের দিনগুলোতে রোজা রাখবে, রাতের কিছু অংশ নামাজ ও ইবাদাতে জন্য ব্যয় করবে, তার পেটকে হারাম খাদ্য থেকে দুরে রাখবে, নিজেকে কলুষতা থেকে রক্ষা করবে এবং তার জিহ্বাকে গোনাহ থেকে দুরে রাখবে, সে সকল গোনাহ থেকে পরিত্রাণ পাবে।
লোকজন পয়গাম্বার (সাঃ) কে বললেনঃ কী সুন্দর এই হাদীসটি!

পয়গাম্বার (সাঃ)ও বললেনঃ কী কঠিন না শর্তগুলি! (অসায়েলুশশীয়া, খন্ড ১০, পৃঃ ১৬২)
হ্যাঁ তারা হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর আশ্রয়ে জ্ঞানার্জন করে ইবাদত, দোয়া ও আধ্যাত্মিকতায় অগ্রণী ছিলেন, তাদের সকল চিন্তাধারা ছিলো প্রত্যাদেশের দীপ্তিময় ও বক্তব্য ছিলো রাসুল (সঃ) এর ন্যায় মহামূল্যবান।

কোরআন তেলাওয়াতঃ

রাসুলে খোদা (সাঃ) কোরআন তেলাওয়াতের পূর্বে আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে পানাহ চেয়ে বলতেনঃ “আউযু বিল্লাহী মিনাশ শায়তানির রাজিম”
ইমাম বাকের (আঃ) বললেনঃ “কোরআন তেলাওয়াতের সময় পয়গাম্বার (সাঃ) এর কন্ঠ এতই সুমধুর হতো যে সকল মুসলমান অবিভুত হয়ে যেতেন।”

হযরত (সাঃ) যখন এই আয়াত “আ লাইসা যালেকা বেকদেরিন আলা আই ইউহাল মাওতা” (সূরা কিয়ামাহঃ ৪)-এর কাছে পৌছাতেন তিনি তখন বলতেনঃ হ্যাঁ, হে আমার খোদা! তুমি পাক ও পবিত্র, মৃতদেরকে জীবিত করার ক্ষমতা তোমার রয়েছে।

এছাড়া তিনি যখন সূরা ইউনুসের ৬১ নং আয়াতে পৌছিয়ে (যেখানে বলা হচ্ছেঃ তুমি যে কোন অবস্থায় থাক এবং তুমি তৎসর্ম্পকে কোরআন হইতে যাহা তিলাওয়াত কর এবং তোমরা যে কোন কার্য কর, আমি তোমাদের পরিদর্শক যখন তোমরা উহাতে প্রবৃত্ত হও। আকাশ মন্ডলি ও পৃথিবীর অণু পরিমাণও তোমার প্রতিপালকের অগোচরে নহে এবং উহা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতম অথবা বৃহত্তর কিছ্ইু নাই যাহা সুস্পষ্ট কিতাবে নাই।) এই আয়াত তেলাওয়াত করতেন, তখন তিনি ভীষন কান্নাকাটি করতেন।

ইবনে আব্বাস বলেনঃ রাসুলে খোদা (সাঃ) যখন এই আয়াত “ওয়া নাফসেও অমা সাওঅহা” পাঠ করতেন তখন কিছু সময় থেমে গিয়ে পরে বলতেনঃ হে আমার পরয়ারদেগার! আমাকে পরহেযগার বানাও, আমাকে পবিত্র কর, তুমি উত্তম পবিত্র তৈরীকারী, তুমি হলে আমার নাফসের মাওলা বা মালিক।

আমিরুল মু’মিনীন (আঃ) বলেছেনঃ কোন কিছুই রাসুল (সাঃ) কে কোরআন তেলাওয়াত থেকে বিরত রাখতে পারতো না একমাত্র জানাবাত ব্যতীত।
উম্মে সালমা উল্লেখ করেন যে, রাসুলে খোদা (সাঃ) কোরআন পাঠের সময় প্রতি আয়াতে থামতেন।

হযরত (সাঃ) বিছানা থেকে উঠতেন না যতক্ষণ পর্যন্ত কিছু মুস্তাহাবাতসমুহ তেলাওয়াত করতেন এবং বলতেনঃ এই কয়েকটি সূরাতে কয়েকটি আয়াত আছে যার ফযিলত হাজার আয়াত থেকে অধিক। জিজ্ঞাসা করা হলো, মুস্তাহাবাতসমূহ কি? তিনি বললেনঃ সূরা হাদীদ, হাশ্র, সাফ্ফ, জুমুআঃ, তাগাবুন।

রাসুলে খোদা (সাঃ) কখনো ঘুমাতেন না যতক্ষণ না তাবারাকাল্লাযি বিইয়াদিহিল মূল্ক (সূরা মূল্ক) ও আলিফ লাম মিম তানযিল (সূরা সিজদা) পাঠ করতেন।

হযরত আলী ইবনে আবী তালিব (আঃ) বলেনঃ রাসুলে খোদা (সাঃ) সূরা “সাব্বে ইসমা রাব্বিকাল আলা” কে পছন্দ করতেন এবং প্রথম যিনি “সুবহানা রাব্বিয়াল আলা” বলেন তিনি হযরত মিকাইল (আঃ) ছিলেন।

ইবনে মাসয়ুদ বলেনঃ রাসুলে খোদা (সাঃ) আমাকে নির্দেশ দেন কোরআনের কিছু অংশ পাঠ করতে, আমি সূরা ইউসুফের কয়েকটি আয়াত তাঁর উদ্দেশ্যে পাঠ করলাম, যখন আমি “ওয়া রুদ্দু এলাল লাহি মাও লাহুমুল হাক্কি”তে পৌছালাম তখন আমি দেখলাম তাঁর চোখ থেকে অশ্র“ গাড়িয়ে পড়ছে।
পয়গাম্বার (সাঃ) রমজান মাসে ইবাদাতসমুহ ও কোরআন তেলাওয়াতের ব্যাপারে বিশেষ অনুগ্রহ দেখাতেন এবং বলতেনঃ প্রত্যেক জিনিসের বসন্তকাল রয়েছে, কোরআনের বসন্তকাল হলো পবিত্র রমজান মাস।

তিনি আরো বলতেনঃ যে ব্যক্তি এই মাসে কোরআনের শুধু একটি আয়াত পাঠ করবে তার পুরস্কার ঠিক ঐ ব্যক্তির ন্যয় যিনি অন্য কোন মাসে কোরআন খতম করলো।
ইসলামের সম্মানিত পয়গাম্বার (সাঃ) রমজান মাসকে দোয়া ও ইবাদতের একটি বিশেষ সময় উল্লেখ করে বলেনঃ রমজান মাস হলো এমন একটি মাস যে মাসে তোমরা আল্লাহর মেহমানিতে দাওয়াতপ্রাপ্ত হলে এবং ঐ সমস্ত লোকের সারিতে অবস্থান করছো যারা আল্লাহর সম্মান পাওয়ার স্থানে রয়েছে। তোমাদের শ্বাস-নিঃশ্বাস তাসবীহের ন্যায়, তোমাদের ঘুম ইবাদতের শামিল, তোমার আমলসমূহ কবুলকৃত ও তোমাদের দোয়াসমুহ মঞ্জুরকৃত।

এ মাস, মুসলমানদের অনুশীলনীর মাস, ঈমানদারদের জন্য প্রশান্তি ও হক বাতিলের মানদন্ডের মাস। রমাজান মাস মানুষের আত্বিক ও বস্তুগত ক্রোধ, ঈর্ষা, পংকিলতা ও ধুলাবালী দুরীভূত করার পটভূমি স্বরূপ। অন্তরসমুহ পরিশোধনে মাস।
রাসুলে খোদা (সাঃ) বলেনঃ যদি আল্লাহর বান্দারা জানতো যে রমজান মাস কি? (আত্মিক বসন্তের কত চমৎকার রত্ন) তাহলে তারা আশা করতো রমজান মাস এক বছর হওয়াই ভাল হতো।

এই মাসে আল্লাহর তরফ থেকে আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে একজন মুসলমান ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ গৌরবের বিষয়। যদি কেউ এই ঐশী দাওয়াতের উত্তর দিতে সামর্থ না হয় সে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে অসহায় ব্যক্তিতে পরিণত হলো।

হযরত রাসুল (সাঃ) বলেনঃ অসহায় হলো সেই, যে এই মহান মাসে আল্লাহ তায়ালার ক্ষমা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হলো। পয়গাম্বার (সাঃ) স্বয়ং এই মাসে জোরালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এ মাসের আমলসমুহ আঞ্জাম দিতেন।

হযরত আলী (আঃ) এ ব্যাপারে বলেনঃ রাসুলে খোদা (সাঃ) এ মাসের শেষ দশ দিনে বিশ্রামের বিছানাকে গোছগাছ করে তাঁর কোমরের বেল্টটাকে শক্ত করে বাঁধতেন এবং তাঁর পরিবারদেরকে ২৩ রমজানে রাত্র জাগার জন্য ঘুম থেকে জাগাতেন। ঘুমন্ত ব্যক্তিদের চোখে পানি ছিটাতেন যাতে তাঁরা শবে কদরের মহিমান্বিত রাতের বরকত থেকে বঞ্চিত না হয়।

দোয়া করার সময়ঃ

মানুষের উচিৎ মহান স্রষ্টার সাথে সর্ম্পক স্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া। দোয়া হলো মানুষের সাথে মহান আল্লাহর সম্পর্ক স্থাপনের সর্ব্বোত্তম মাধ্যম। দোয়া করা সব সময়ের জন্য ভাল; তবে কিছু কিছু সময়ের ব্যাপারে অধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে যথাঃ নামাজের সময়, শাবান ও রমজান মাসসমুহে দোয়া ও ইবাদাতের সবচেয়ে উপযুক্ত দিনগুলো বলে গণ্য করা হয়।

পয়গাম্বার (সাঃ) বলেনঃ নামাজের সময় তোমাদের হাতগুলোকে আল্লাহর দরবারে দোয়া করার জন্য উঁচু করবে; কারণ ঐসময় সবচেয়ে উত্তম সময় যখন আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের জন্য রহমতের ব্যাপারে চিন্তা করেন, যদি কেউ তাঁর কাছে প্রার্থনা করে তিনি তার উত্তর দেন, যদি কেউ তাকে ডাকে তিনি তার ডাকে সাড়া দেন, আর যদি কেউ তার কাছে চায় তিনি তার চাহিদা পূরণ করেন। যদি কেউ তাকে স্মরণ করেন তার স্মরণের উত্তর দেন।
রাসুলে খোদা (সাঃ) সর্বদা নামাজ, দোয়া ও প্রার্থনায় তৃপ্তি পেতেন; কিন্তু শাবান ও রমজান মাসের অবস্থা ছিলো সম্পুর্ণ ভিন্ন।

শাবান মাসের দোয়া সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছেঃ

রাসুলে খোদা (সাঃ) শাবান মাসে রোজা রাখা ও রাতে জেগে ইবাদত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। এ মাসের ইবাদতের রুটিন তিনি নিজেই তৈরী করতেন।
মোটকথা, আল্লাহর বান্দাদের জন্য দোয়া ও প্রার্থনা একটি উত্তম ওসিলা হিসাবে সর্বদা সঙ্গে থাকে। যদি দোয়ার প্রকাশ্যে প্রতিফলন না ঘটে তবুও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার প্রভাব দেখা যায় যথাঃ আত্মিক চাহিদার দুরীকরণ, সৃষ্টিকর্তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন, অনুনয় ও দাসত্বের আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি, নেয়ামতসমুহ সংরক্ষণ, সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে নিরাপদ থাকা, আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহ ও রহমতের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া, এগুলো দোয়ার প্রভাবের কিছু অংশ।

সুত্রঃ ভীজেগীহয়ে পয়গাম্বারে আজাম আল খাছায়েসুল নাবুবিয়াহ

Share: