মাটির টুকরো এবং সিজদা

  • Posted: 09/06/2019

বার ইমামীয়া শীয়াগণ মাটি, পাথর, নুড়ি প্রভৃতি ভূমির অংশ বলে পরিগণিত বস্তু এবং ভূমি হতে উদ্ভূত বস্তুতে যেমন উদ্ভিদজাত চাটাই ও মাদুর ইত্যাদির উপরে সিজদা করে।
কিন্ত কার্পেট, কাপড়, পরিধেয় বস্ত্র, অলংকার ও সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার্য বস্তুতে সিজদা করা জায়েয মনে করে না।
এ বিষয়টি অনেক সুন্নি ভাই অজ্ঞতাবশতঃ বিভিন্ন কমেন্টস করে থাকেন।
শীয়া-সুন্নি পৃথিবীর সকল মুসলমান রাসুল (সাঃ) এর উম্মত।
সম্মানীয় পাঠক,
এই বিষয়টি নিয়ে আমরা নিজেরা নিজেদের মধ্যে অহেতুক তর্ক বিতর্ক না করে আসুন দেখে নেই স্বয়ং রাসুল (সাঃ) কি করতেন !
এ বিষয়ে শীয়া-সুন্নী উভয় সূত্রে অসংখ্য হাদিস রয়েছে যে, রাসুল (সাঃ) সবসময় ভূমি বা মৃত্তিকার উপর সিজদা করতেন এমনকি মুসলমানদেরও তা করার নির্দেশ দিতেন।
এ কারণেই একদিন সাহাবী বেলালকে (রাঃ) মাটির উত্তপ্ততার কারণে পাগড়ির একাংশে সিজদা করতে দেখে মহানবী (সাঃ) নিজ হাতে তার কপাল হতে পাগড়ির কাপড় সরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘হে বেলাল, তোমার ললাটকে ধূলায়িত কর বা ধূলায় আবৃত হতে দাও। ’
রিবাহ এবং সাহিবের প্রতিও তিনি এরূপ কথা বলেছেন যেমন- ‘হে সাহিব, তোমার মুখমণ্ডলকে ধূলায়িত হতে দাও’ বা ‘হে রিবাহ, তোমার মুখমণ্ডলকে ধূলায়িত কর’
সূত্র - এই বর্ণনাসমূহ সহীহ আল বুখারী, কানজুল উম্মাল, আব্দুর রাজ্জাক রচিত মুসান্নাফ এবং কাশেফুল গিতা রচিত ‘ আস সুজুদ আলাল আরদ ’ গ্রন্থে রয়েছে।
এরূপ করার অন্যতম দলিল হল এ হাদিসটি যা সহীহ বুখারী ও অন্যান্য গ্রন্থে মহানবী (সাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে - “আমার জন্য পৃথিবীকে (ভূ-পৃষ্ঠ) মসজিদ ও পবিত্রকরণের উপকরণ করা হয়েছে।” তদুপরি মাটির উপর সিজদা বা সিজদার জন্য মাটির উপর কপাল রাখা আল্লাহর সামনে সিজদার সর্বোত্তম রূপ, উপাস্যের সামনে উপাসকের ক্ষুদ্রতা প্রকাশ ও আত্মসমর্পণের চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত এবং বিনয় ও নম্রতার সবচেয়ে নিকটবর্তী।
এ বিষয়টি মানুষকে তার মূল উৎসের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
মহান আল্লাহ এ কথা বলেন, “আমরা তোমাদের তা (মৃত্তিকা) হতেই সৃষ্টি করেছি, তাতেই তোমাদের ফিরিয়ে আনব। পুনরায় (কিয়ামতের দিন) তোমাদের তা হতে বের করে আনব।” সূত্র - আল কোরআন।
নিশ্চয়ই সিজদা হল বিনয়ের চূড়ান্ত প্রকাশ : বিনয়ের চূড়ান্ত রূপের প্রকাশ জায়নামাজ, কার্পেট, বস্ত্র বা মূল্যবান অলংকারের উপর ঘটে না। এ রূপটি তখনই প্রকাশ পায় যখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান অংশ মানুষের কপাল বা ললাট সবচেয়ে মূল্যহীন বস্তু অর্থাৎ মৃত্তিকার উপর রাখা হয়।
সূত্র - এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন দশম হিজরী শতাব্দীর আলেম আশ শারানী আনসারী আল মিসরী রচিত আল ইয়াকিত ওয়াল জাওয়াহির গ্রন্থটি।
পাঠক,
এখানে আমরা সুন্নি মাযহাবের বিখ্যাত রেফারেন্স উল্লেখ করছি।
* সুন্নি ফিকহার সকল শাখার ফকীহগন মাটি বা মাটি হতে উৎপন্ন বস্তর উপর সেজদা করাকে বৈধ মনে করেন। মাটিতে সেজদা করা নিশ্চয়ই রাসুল (সাঃ) এবং তাঁর ঈমানদার সাহাবীদের রীতি ছিল।
আবু সাঈদ খুদরী বর্ননা করেন যে, আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাঃ) কাদা মাটিতে সেজদা করতে দেখেছি এবং তাঁর কপালে কাদা মাটির চিহ্ণও দেখেছি। সূত্র - সহীহ আল বুখারী, খন্ড - ১, অধ্যায় - ১২, হাদিস নং - ৭৯৮, খন্ড - ৩, অধ্যায় - ৩৩, হাদিস নং - ২৪৪ (ইংরেজী অনুবাদ)।
* মাটির একখন্ড টুকরা বা ছোট্ট পাথর খন্ড - এর উপর রাসুল (সাঃ) সেজদা দিতেন -- এই বিষয় বিখ্যাত সুন্নি গবেষক আল-শাওকানী সুন্নি উৎসের বিশেষ করে সহীহ মুসলিম, সহীহ তিরমিজি, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ এবং আরও অনেকগুলো উৎসের উল্লেখ রয়েছে। সূত্র - আল-শাওকানী, নাইল আল-আওতার খুমরা অধ্যায়, খন্ড- ২, পৃষ্ঠা - ১২৮।
* এ ছাড়াও দেখুন - সহীহ আল বুখারী, খন্ড- ১, অধ্যায় - ৮, হাদিস নং - ৩৭৬ (ইংরেজী অনুবাদ)।
* ''রাসুল (সঃ) বলেন, 'মাটি কে আমার জন্য সিজদা ও পবিত্রতার উৎস হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে''।
সূত্র - সহীহ আল বুখারী, খন্ড -১, কিতাবুস সালাত, পৃষ্ঠা - ৯১ / সহীহ মুসলিম, খন্ড -১, পৃষ্ঠা -৩৭১ / সুনানে তিরমিজি, খন্ড -২, পৃষ্ঠা-১৩১ / সুনানে বায়হাকি, খন্ড -১, পৃষ্ঠা -২১২ / সহীহ আল বুখারী ১ম খন্ড, হাদিস নং ৩২৮ / মুসলিম ২য় খন্ড হাদিস নং ৫ / তিরমিযী ২য় খন্ড, হাদিস নং ৩১৭ / মান লা ইয়া জারুল ফকিহ ১ম খন্ড, হাদিস নং ১৫৬।
* উম্মে সালমা (রাঃ) বলেন, রাসুল (সঃ) বলেছেন, ''স্বীয় মুখমণ্ডলকে তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে মাটির উপর স্থাপন কর''। সূত্র - কানজুল উম্মাল, খন্ড -৭, কিতাবুস সালাত, পৃষ্ঠা -৪৬৫।
* ওয়াইল বিন হাজার বলেন, ''যখনই রাসুল (সঃ) সিজদা করতেন, তখনই স্বীয় ললাট ও নাসিকা মুবারক মাটির উপর স্থাপন করতেন''। সূত্র - আহাকামে কুরআন (জাসসাসে হানাফি) খন্ড- ৩, পৃষ্ঠা ২০৯, বৈরুত প্রিন্ট।
* ইবনে আব্বাস বলেন, 'রাসুল (সঃ) প্রস্তর এর উপর সিজদা করতেন''। সূত্র - সুনানে বায়হাকি, খন্ড-২, পৃষ্ঠা - ১০২।
* আহমাদ বিন সোয়াইব নেসাই তার নিজ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, তিনি আবু সাইড খুদরি থেকে বর্ণনা করেন, ''আমি আমার দুই চক্ষু দিয়ে দেখেছি যে, রাসুল (সঃ) এর নাসিকা ও ললাট মুবারকে কাদা মাটির চিহ্ন লেগে থাকতে দেখেছি ''। সূত্র - সুনানে নাসাই, খন্ড - ২, পৃষ্ঠা -২০৮।
* হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, ''একদা প্রচণ্ড গরমের সময় রাসুলের (সাঃ) সাথে নামাজ আদায় করছিলাম। আমাদের মধ্যে একজনের হাতে নুড়ি পাথর সংরক্ষিত ছিল, তিনি ঐ নুড়ি পাথরগুলোকে শীতল করে তার উপর সিজদা করেছেন''। সূত্র - সুনানে বায়হাকি, খন্ড-২, পৃষ্ঠা -১০৬।
* বায়হাকি স্বীয় গ্রন্থে বর্ণীত হয়েছে, হজরত আনাস (রাঃ) তার ওস্তাদ এর কাছ থেকে বর্ণনা করেন, ''যদি বস্ত্রের উপর সিজদা করা যায়েজ হত, তাহলে পাথর ঠাণ্ডা করে তার উপর সিজদা করার * * চেয়ে ওই বস্ত্রের উপর সিজদা করা অধিকতর সহজ ছিল''। সূত্র - সুনানে বায়হাকি, খন্ড-২, পৃষ্ঠা- ১০৫।
* জাবের বিন আব্দুল্লাহ বলেন, ''যখনই আমরা নবীর (সাঃ) সাথে নামাজ আদায় করতাম, তখন এক মুঠো নুড়ি পাথর সঙ্গে রাখতাম, আর সেগুলো কে ঠাণ্ডা করার পর তার উপর সিজদা করতাম''। সূত্র - মুসনাদে আহমাদ, খন্ড - ১, পৃষ্ঠা- ৩৮৮।
* মুসলিম বিন হাজ্জাজ খাব্বার বিন আরত থেকে এরূপ বর্ণনা করেন, ''রাসুলের (সাঃ) খেদমতে হাজির হয়ে উত্তপ্ত গরমের ব্যাপারে অভিযোগ উত্থাপন করলাম। কিন্তু তিনি আমাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। অর্থাৎ কোন সমাধানের পথ আমাদের জন্য উল্লেখ করেন নি''। সূত্র - সহীহ মুসলিম, খন্ড-১, পৃষ্ঠা -৮৩৩।
* খাব্বার বিন আরত থেকে বায়হাকি বর্ণনা করেন, ''প্রচণ্ড গরম আর জ্বলন্ত হাতের তালু ও কপালের ব্যাপারে রাসুলের (সাঃ) নিকট আমরা অভিযোগ পেশ করলাম। কিন্তু তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহন করেন নি ''। সূত্র - সুনানে বায়হাকি, খন্ড - ১, পৃষ্ঠা ৪৩৮।
অর্থাৎ প্রচন্ড গরমের মধ্যে গরম মাটি এবং বালি ছাড়া কোন বস্ত্রের উপর সিজদা করতে বলেন নি রাসুল (সাঃ)।
* আবু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত : তিনি বলেন, 'আবু সাঈদ খুদরীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, 'আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে (নামাজে) কাদার মধ্যে সিজদা করতে দেখেছি। এমন কি তাঁর কপালে কাদা মাটির চিহ্ন লেগে থাকতে দেখেছি।' সূত্র - সহীহ আল বুখারী - খন্ড- ১ হাদিস নং- ৭৮৯ (আধুনিক প্রকাশনী)।
আদম (আঃ) ....বারাআ ইবনে আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত।
যিনি অবশ্যই মিথ্যাবাদী ছিলেন না।
* তিনি বলেন, 'আমরা নবী (সাঃ) এর পিছনে সালাত আদায় করতাম। তিনি 'সামিআল্লাহুলিমান হামিদাহ্' বলার পর যতক্ষণ না কপাল মাটিতে স্থাপন করতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কেউ সিজদার জন্য পিঠ ঝুকাত না।' সূত্র - সহীহ আল বুখারী - খন্ড - ২ হাদিস নং - ৭৭৪ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)।
* কুতায়বা (রাঃ).......জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত।
তিনি বলেন, 'আমরা রাসূলের (সাঃ) সঙ্গে জোহরের সালাত আদায় করলাম। আমি এক মুষ্টি পাথর টুকরা তা ঠান্ডা করার জন্য হাতে নিলাম। তারপর তা আমার অন্য হাতে নাড়াচাড়া করতে লাগলাম। যখন আমি সিজদা করলাম তখন তা আমার কপাল রাখার স্থানে রেখে দিলাম।'
সূত্র - সুনানু নাসাঈ - খন্ড - ২ হাদিস নং - ১০৮৪ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)।
* ইবনুল মুছান্না (রাঃ)............আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত।
তিনি বলেন, 'একদা রাসূল (সাঃ) জামাতের সাথে নামাজ আদায় করার পর তাঁর কপালে ও নাকে উপর মাটির দাগ পরিলক্ষিত হয়।' সূত্র - আবু দাউদ - খন্ড - ২, হাদিস নং - ৮৯৪ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)।
ইতিহাস থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়ে যে, রাসুল (সাঃ) কখনই বস্ত্রের উপর সিজদা করতেন না। তবে কিছু হাদিসে পাওয়া যায় যে, কিছু সংখ্যক সাহাবী যারা প্রচন্ড গরম সহ্য করতে পারতেন না, তারা মাঝে মধ্যে প্রচন্ড গরম থেকে রেহাই পাবার জন্য পরিধেয় বস্ত্রের উপর সিজদা করতেন।
* ''আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, ''প্রচণ্ড গরমের মধ্যে যখনই নবীজীর (সাঃ) সাথে নামাজ আদায় করতাম, তখন আমরা পরিধেয় বস্ত্রের উপর সিজদা করতাম। এভাবে গরমের প্রচণ্ড উত্তাপ থেকে রক্ষা পেতাম''।
সূত্র - সহীহ বুখারী, খন্ড-১ পৃষ্ঠা- ১৪৩।
* ইমাম মুসলিম হাদিসটি এরূপে বর্ণনা করেছেন, ''নবীর (সাঃ) সাথে নামাজ আদায় করার সময় আমাদের কেউ কেউ প্রচন্ড গরমের কারনে স্বীয় ললাট ভুমির উপর স্থাপন করতে অক্ষম হলে সে তার পরিধেয় বস্ত্র বিছিয়ে তার উপর সিজদা প্রদান করত '। সূত্র - সিরাতুনা অয়া সুন্নাতুনা, পৃষ্ঠা -১৩১।
অবশ্যই সিজদার মাটি পবিত্র হতে হবে।
আর এজন্যই পবিত্রতার কথা চিন্তা করে বার ইমামীয়া শীয়ারা তাদের সঙ্গে একখণ্ড মাটির টুকরা (যা বিভিন্ন মাটির মিশ্রনে প্রস্তুত) বহন করে।
কখনও কখনও এ সিজদার মাটি বরকত লাভের উদ্দেশ্যে পবিত্র কোন স্থান হতে নেয়া হয়ে থাকে। যেমন কারবালা যেখানে মহানবীর (সাঃ) পবিত্র দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আঃ) শহীদ হয়েছিলেন।
এজন্য বার ইমামীয়া শীয়ারা এক্ষেত্রে কারবালার পবিত্র মাটির টুকরা ব্যবহার করে থাকে।
অবশ্য আজকের আলোচ্য বিষয় এটা নয়।
যদিও এই বিষয়ে সুন্নিদের বিখ্যাত রেফারেন্স বিদ্যমান আছে।
মহানবীর (সাঃ) কোন কোন সাহাবা বরকত লাভের উদ্দেশ্যে পবিত্র মক্কা নগরীতে সফরের সময় সেখান হতে পাথর ও নুড়ি সিজদার জন্য বহন করে নিয়ে যেতেন। সূত্র - এ বিষয়টি সানআনির মুসান্নিফ গ্রন্থে এসেছে।
বার ইমামীয়া তথা জাফরী মাযহাবের শীয়ারা এরূপ করতেই হবে এবং সবসময় এমনটিই হতে হবে তা অপরিহার্য মনে করে না বরং যে কোন পরিস্কার ও পবিত্র পাথরে সিজদা করা জায়েয মনে করে।
যেমন পবিত্র মসজিদে নববী ও মসজিদে হারামের মেঝে যেরূপ পাথরে প্রস্তুত হয়েছে তাতেও সিজদা করাতে কোন অসুবিধা নেই।
বার ইমামীয়া শীয়ারা নামাজের মধ্যে বাম হাতের উপর ডান হাত রাখে না অর্থাৎ হাত বাঁধে না।
কারণ মহানবী (সাঃ) কখনই এমনটি করতেন না এবং এর স্বপক্ষে কোন অকাট্য ও সুস্পষ্ট দলিল নেই।
ঠিক একারণেই সুন্নি মালেকী মাজহাবের অনুসারীরাও নামাজে হাত বাঁধেন না।
সূত্র-বুখারী, মুসলিম ও বায়হাকী দ্রষ্টব্য, মালেকী মাজহাবের মত সম্পর্কে জানতে দেখুন ইবনে রুশদ আল কুরতুবী রচিত বেদায়াতুল মুজতাহিদ সহ অন্যান্য গ্রন্থ।
সুপ্রিয় পাঠক,
বার ইমামীয়া শীয়াদের প্রতি অযাচিত ও অশোভন মন্তব্য করার পূর্বে দয়া করে মহানবীর (সাঃ) কাজ বা আমল সম্পর্কে আরও বেশী করে জানুন, ধন্যবাদ। লেখাটি সংগৃহীত।###

Share: