প্রশ্নঃ এই যে বলা হয়, যে মহিলা আদাদীয়া মাসিকের অধিকারীনি কিন্তু ওয়াক্তীয়ার অধিকারীনি নয় তাকে শুরুর হায়েযের লক্ষণাবলীর প্রতি লক্ষ্য করতে হবে। অনুগ্রহপূর্বক বলবেন যে উক্ত রক্তে যদি হায়েযের কিছু কিছু লক্ষণ বজায় থাকে যেমন গাঢ় কিম্বা লাল অথবা গরম হয় তাহলে কি সে ঋতুবর্তী মহিলার হুকুমে পড়বে?
উত্তর ঃ যদি অন্যান্য রক্তগুলোতে হায়েযের কোন লক্ষণই বজায় না থাকে তাহলে যে রক্তে হায়েযের লক্ষণ বিদ্যমান সেটাকে হায়েয বলে গণ্য করবে। আর যদি সেগুলোর প্রত্যেকটিতে একটি লক্ষণ বজায় থাকে তাহলে লক্ষণ না থাকার হুকুমে পড়বে। (ইস্তিফতা)
মাসিকের অধিকারীনি কোন মহিলা যদি তিন দিন বা তার বেশী কাল রক্ত দেখে পাক হয়ে যায় এবং পুনরায় রক্ত দেখে আর দুই রক্তস্রাবের মধ্যে ব্যবধান হয় দশদিনের কম আর মোট যে দিনগুলো রক্ত দেখেছে সেগুলো যদি মাঝখানে যে দিনগুলো পাক ছিল আর তার তুলনায় বেশি হয় যেমন ৫ দিন রক্ত দেখে এবং ৫ দিন পাক হয় অতঃপর পুনরায় ৫ দিন রক্ত দেখে সেক্ষেত্রে কয়েকটি রূপ হতে পারে
১। প্রথম দফায় যে রক্ত দেখেছে তার কিছু অংশ যদি মাসিকের মেয়াদকালের মধ্যে ঘটে আর পাক হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় যে রক্ত দেখে সেটা মাসিকের মেয়াদের মধ্যে না ঘটে তাহলে প্রথম দফার সকল রক্তকে হায়েয এবং দ্বিতীয় দফার রক্তকে ইস্তিহাযা ধার্য করবে। (উরওয়াতুল উছকা, খঃ ১, ফি গায়াতিল উযু অধ্যায়, ম : ৯)
২। প্রথম দফার রক্তস্রাব যদি মাসিকের মেয়াদকালের দিনে না হয় এবং দ্বিতীয় দফার সকল রক্তস্রাব কিম্বা তার কিছু অংশ মাসিকের মেয়াদের মধ্যে ঘটে তাহলে দ্বিতীয় দফার সকল রক্তস্রাবকে হায়েয আর প্রথম দফার রক্তস্রাবকে ইস্তিহাযা ধার্য করবে।
সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত