মাসলা-মাসায়েল

যে মহিলা ওয়াক্তীয়া মাসিকের অধিকারিনী এবং নিজ আত্মীয়-স্বজনের মাসিকের মেয়াদকালকেই তার মাসিক কাল বলে ধার্য করে তাকে সে দিনটিকেই তার হায়েযের প্রথম দিন হিসেবে নির্ধারণ করবে যে দিনটি প্রত্যেক মাসে তার মাসিককালের প্রথম দিন ছিল। উদাহরণস্বরূপ, কোন স্ত্রীলোক যদি প্রত্যেক মাসের প্রথম দিনেই রক্ত দেখতে আর কখনো ৭ম দিনে আবার কখনো ৮ম দিনে পাক হত এমতাবস্থায় যদি কোন মাসে ১২ দিন রক্ত দেখে আর তার আত্মীয়-স্বজনের মাসিককাল থাকে ৭দিন তাহলে সে মাসের প্রথম ৭ দিনকে হায়েয আর বাদ বাকী ইস্তিহাযা ধার্য্য করবে। (তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৯৫)
 যে সব ক্ষেত্রে একজন স্ত্রীলোককে মুস্তাহাযা ব্যক্তির করণীয় সমূহকে পালন এবং হায়েয ব্যক্তির জন্যে নিষিদ্ধ বিষয়গুলোকে বর্জন করে চলতে হয় সে সকল ক্ষেত্রেই তাকে প্রথমে হায়েযের গোসল সম্পন্ন করে নিয়ে তারপর মুস্তাহাযা ব্যক্তির করণীয়সমূহ পালন করতে হবে।
৮। শেষে হায়েয নির্ণয়ের মাপকাঠি ঃ (যদি কোন স্ত্রীলোক হয় নাসিয়া মাসিকের অধিকারীনি এবং তার রক্তস্রাব ১০ দিন অতিক্রম করে যায়)
নাসিয়া স্ত্রীলোকের উচিত রক্তের লক্ষণ ও চিহ্নাবলীর প্রতি লক্ষ্য করা। অতঃপর যে ক’দিন লক্ষণ ও চিহ্নাবলী বজায় থাকবে সে ক’দিনকে হায়েয ধার্য করবো। আর যদি সব ক’দিনই লক্ষণসম্পন্ন হয় তাহলে এহতিয়াতে ওয়াজিবের ভিত্তিতে সাত দিনের রেওয়ায়েতের অনুযায়ী আমল করবে। (উরওয়াতুল উছকা, খঃ ১, পৃঃ ৩৩১, মাঃ ১)

সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত

Related posts

মাসলা-মাসায়েল

মাসলা-মাসায়েল

মাসলা-মাসায়েল

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More