৯২০. যদি কুরবানী কোনো কারণে ঈদের দিন থেকে বিলম্ব হয়ে যায়, তাহলে সতর্কতা অনুযায়ী সে মাথা মুণ্ডন করতে পারবে না এবং ইহরাম থেকেও বের হতে পারবে না । আর পরবর্তীতে কুরবানী করতে পারবে না । বরং অধিকতর সতর্কতা হলো কুরবানী, মাথা মুন্ডন এবং তৎসংশ্লিষ্ট আমলসমূহের মধ্যে ধারাক্রম মেনে চলতে হবে
৯২১. মাথামুণ্ডনকে তাশরীক দিবসসমূহের শেষ অবধি বিলম্ব করতে বাধা নেই, যদিও তা ইচ্ছাকৃত হয়। আর রাতের বেলায়ও মাথামুণ্ডন সঠিক হবে এবং যথেষ্ট হবে
৯২২. হাজী যদি কুরবানীর জন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব প্রদান করে থাকে, তাহলে
যতক্ষণ পর্যন্ত তার প্রতিনিধি কুরবানী না করবে ততক্ষণ মাথামুণ্ডন করতে পারবে না ।
তবে যদি তার প্রতিনিধি কুরবানী সম্পন্ন করেছে এই বিশ্বাসে মাথা মুণ্ডন করে ফেলে
অতঃপর জানা যায় যে, তার প্রতিনিধি এখনো কুরবানী করেনি, তাহলে তার উক্ত
মাথামুণ্ডন যথেষ্ট হবে । আর যদি মাথামু-নের পর মক্কায় আমলসমূহও সম্পন্ন করে
থাকে,
যথেষ্ট হবে । তা পুনঃ আদায়ের প্রয়োজন নেই ।
৯২৩. যাদের জন্য হজ্বের এটি প্রথম বছর এবং মাথামুণ্ডন করাই কর্তব্য, সতর্কতা হলো বেশি চুলের দরুন প্রথমে মাথার চুল মেশিন দ্বারা ছোট করে পরে মাথা ন্যাড়া করা জায়েজ নয়। যদিও অবিলম্বে মাথা ন্যাড়া করার কাজ সম্পন্ন করে থাকে । তবে জ্ঞাতসারে ও ইচ্ছাকৃতভাবে একাজ করলে কাফফারা প্রদান করতে হবে।
৯২৪. যে ব্যক্তি অন্যকে ন্যাড়া করতে চায়, সে নিজের মাথা ন্যাড়া বা তাকছীর করার আগে অন্যের মাথা ন্যাড়া করতে পারবে না। তবে অন্যের নখ ছেঁটে দিতে পারবে । আর ইহ্রাম থেকে বের হওয়ার পূর্বে অন্যের চুল অপসারণ করাও জায়েজ নয়, সেটা তাকছীরের জন্যই হোক না কেন ।