৪০৮. যদি হাজী ইহরাম অবস্থায় মাথাব্যথার কারণে মাথার চারপাশে রুমাল বেঁধে নেয় যদিও তা গোটা মাথাকে ঢেকে থাকে তাহলেও কাফফারা নেই।
৪০৯. ইহরাম অবস্থায় যেটা হারাম তা হলো মাথার ওপরে ছায়া ফেলা। এ কারণে যদি গাড়ি পথিমধ্যে অবস্থিত সেতুর নীচ দিয়ে যায় এবং ইহরামকারীরা অগত্যা উক্ত সেতুর নিচ দিয়ে অতিক্রম করে কিম্বা যদি পেট্রল পাম্পে ছাদের নিচে থামে এবং ইহরামকারীরা ছাদের নিচে থাকে তাহলে তাতে কোনো সমস্যা দেখা দেবে না। কাফফারাও নেই।
৪১০. যে ব্যক্তি ছাদবিশিষ্ট গাড়িতে ড্রাইভিং করে তাকে প্রত্যেক ইহরামে একটি করে ভেড়া কাফফারা দিতে হবে। আর যাত্রী ওঠা-নামার পুনরাবৃত্তি ঘটার অনুপাতে কাফফারা পুনরাবৃত্তি হবে না। একইভাবে মাথার ওপর ছায়া ফেলার অন্যান্য ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ প্রযোজ্য।
৪১১. যেসব স্যান্ডেল চওড়া ফিতা বিশিষ্ট, তবে পুরো পায়ের উপরিভাগকে ঢাকে না তা ইহরামের অবস্থায় নিষেধ নয়।
৪১২. রাতের বেলায় ছায়া খোঁজার বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক। সুতরাং ইহরামকারীর জন্য রাতের বেলায় ছাদবিশিষ্ট গাড়িতে মক্কায় যাওয়া জায়েজ।
৪১৩. দূরবর্তী জায়গাসমূহ যেমন তেহরান থেকে মানতের মাধ্যমে ইহরাম বাঁধা জায়েজ। কিন্তু যদি ছাদের নিচে ভ্রমণ করে তাহলে কাফফারা দিতে হবে।
৪১৪. ইহরাম অবস্থায় ইনজেকশন নেয়া নিষেধ নয়। তবে যদি শরীর থেকে রক্ত বের হওয়ার কারণ হয় তাহলে তা নেয়া যাবে না। কেবল জরুরি অবস্থা ছাড়া।
৪১৫. মাথার ওপর ছায়ার ব্যবস্থা করা হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে, ব্যক্তির সাথে চলমান ছায়া যেমন ছাতা ও ছাদবিশিষ্ট গাড়ি আর স্থির ছায়া যেমন সেতু ইত্যাদির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। একইভাবে স্বেচ্ছায় কিম্বা বাধ্য হয়ে ছায়া গ্রহণের মধ্যেও কোনো পার্থক্য নেই। তবে মহাসড়কে যেসব সেতু রয়েছে সেগুলোর নিচ দিয়ে পার হওয়ার ক্ষেত্রে (ছায়ার নির্দেশ) প্রযোজ্য নয়।
৪১৬. যে ব্যক্তি হজ্ব বাতিল করেছে, সে যদি ঐ বিনষ্ট হজ্ব সম্পূর্ণ করে, তাহলে সে ইহরাম থেকে বের হলো। অন্যথায় ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে।
৪১৭. ইহরামকারী তার থাকার জায়গায় পৌছার পর এমনকি তা যদি মক্কার নতুন এলাকায়ও হয় যা মসজিদুল হারাম থেকে দূরে অবস্থিত, সে মসজিদুল হারামে যাওয়ার জন্য ছাদবিশিষ্ট গাড়িতে আরোহণ করতে কিম্বা ছায়ার নিচে যেতে পারবে।