যারা ইমাম (আঃ) কে সাহায্য করার তৌফিক লাভ করেছিল এ সকল লোকদের জীবনী ও পরিচিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয় বিষয়। এরূপ কয়েক জনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ের প্রতি লক্ষ করুন :
১. সে সকল সত্যবাদীগণ যারা তাদের হজ্ব অনুষ্ঠানকে অর্ধ সমাপ্ত রেখে ইমামের সফর সঙ্গী হয়েছিলেন।
২. “আসলাম ইবনে আমর” ইমামের তুর্কী ভৃত্য।
৩. কয়েকজন কোরআনের ক্বারী, তাঁদের মধ্যে বুরাইর ইবনে হাফির হামাদানী একজন। এ ক্বারীবৃন্দ তাঁদের যুগে শ্রেষ্ঠ ক্বারী বলে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন এবং ইমামের পক্ষে যুদ্ধ করে শহীদ হন।
৪. হযরত আবুজার এর এক কৃষ্ণাঙ্গ ভৃত্য স্বেচ্ছায় কারবালার প্রান্তরে অবস্থান করেন। এর ফলে আহলে বাইতের রক্তের সাথে তার রক্ত মিশে যায়। মূলতঃ হযরত আবুজারের মত ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যের কারণেই তার এমন সৌভাগ্য হয়েছিল।
৫. অন্তরচক্ষু দ্বারা তওবাকারীগণ হর ইবনে ইয়াজিদ রিয়াহীর মত অন্ত রচক্ষু দ্বারা তওবাকারীগণ সত্যকে অনুধাবন করতে পেরে ইমামের পক্ষে আসেন ও শাহাদাতের মাধ্যমে পরকালীন মুক্তি লাভ করেন।
৬. ইমাম হোসাইন (আঃ) এর ডাকে সাড়া দেয়া সৌভাগ্যবানরা : উদাহরণস্বরূপ যুহাইর ইবনে কাইন- যিনি প্রথমে ইমামকে পরিহার করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে পুনরায় ইমামের কাছে আসেন ও শাহাদাত বরণ করেন।