খুমসের আহকাম

মাসআলা (১১৯৬) : আমাদের যুগে যখন ইমাম (আ.) এর লোকচক্ষুর অন্তরালে অবস্থান করছেন, তখন তার পবিত্র অংশ সামগ্রিকভাবে ওয়ালীয়ে আমরে মুসলিমিন এর এতিয়ারভুক্ত, যাতে তিনি যেসব কাজে ইমাম (আ.) এর সন্তুষ্টি নিহিত রয়েছে যেমন মুসলমানদের কল্যাণমূলক কার্যাবলি, বিশেষ করে হাওযা ইলমিয়া পরিচালনা করা ইত্যাদি কাজে ব্যয় করেন| সাদাতের অংশের এক্তিয়ারও ইমাম (আ.) এর পবিত্র অংশের ন্যায় ওয়ালীয়ে আমরে মুসলিমিনের সাথে সম্পর্কিত| অতএব কারো উপর কিংবা কারো সম্পদে যদি কিছু পরিমাণ ইমাম (আ.) এর হক কিংবা সাদাতের অংশ (ধার্য) থাকে, তাহলে তা ওয়ালীয়ে অমরে খুমস কিংবা তার পতিনিধির কাছে জমা দিতে হবে| আর যদি উক্ত খুমসের টাকা নির্ধারিত ক্ষেত্রসমূহের মধ্যে কোনো একটি ক্ষেত্রে, যেমন: উপকারী ও প্রয়োজনীয় ধর্মীয় বই কিতাব খরিদ. দরিদ্র সাদাতের বিবাহ প্রদান, তাদের পানি ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ ইত্যাদি বাবদ ব্যয় করতে চায়, তাহলে প্রথমে এ ব্যাপারে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে|
মাসআলা (১১৯৭) : প্রত্যেক শ্রদ্ধাভাজন মারজায়ে তাকলীদের (আল্লাহ তাদের সকলের হায়াত দরাজ করুন) তাকলীদকারীরা যদি খুমসের দুই ভাগের অংশ পরিশোধের ক্ষেত্রে স্ব স্ব মারজায়ে তাকলীদের ফতোয়া অনুযায়ী আমল করে তাহলে তাদের জিম্মা মুক্তির কারণ হবে|
মাসআলা (১১৯৮) : ইমাম (আ.) এর পবিত্র অংশ এবং সাদাতের অংশ মওকুফ যোগ্য দেয়|

সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম  বই থেকে সংগ্রহীত

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী – এর ফতোয়া অনুযায়ী   সংকলিত

Related posts

খুমসের আহকাম

খুমসের আহকাম

খুমসের আহকাম

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More