সূরা তাগাবুনের তাফসীর

সূরাসমূহের সামগ্রিক বিষয়বস্তু নির্ণয়ের সুবিধা
পবিত্র কুরআনের সূরাসমূহ বিশেষত ছোট আকৃতির সূরাগুলোর আয়াতসমূহের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের পূর্বে আমাদের করণীয় হচ্ছে উক্ত সূরাসমূহের সামগ্রিক বিষয়বস্তুর প্রতি আলোকপাত করা| যদি সূরাসমূহের সামগ্রিক বিষয়বস্তু আমাদের নিকট সুস্পষ্ট হয়ে যায়, তাহলে আয়াতসমূহের মর্মার্থ ও ব্যাখ্যা বুঝাও খুব সহজ হয়ে যাবে| অবশ্য এ বিষয়টি কুরআনের বড় বড় সূরার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যদিও তা বিশেষ কষ্টসাধ্যও বটে| এটি নিতান্ত কষ্টসাধ্য যে, সূরা বাকারা কিংবা সূরা আলে ইমরানের ন্যায় সুদীর্ঘ সূরাগুলোর প্রথম থেকে শেষাবধি বিষয়বস্তু কেউ ভালভাবে রপ্ত করবে| কোনো কোনো মুফাসসির এ পদ্ধতি অব্ল্ম্ব্ন করে থাকেন যে, তাঁরা স্বীয় তাফসীরের ক্ষেত্রে সূরাসমূহের বিষয়বস্তুগুলো উল্লেখ করেন; বিশেষত সাম্প্রতিককালের মুফাসসিরগণ| সমকালীন সময়ের মুফাসসিরগণ— ইরানি মুফাসসির হোন কিংবা আরব— কুরআনের তাফসীরের ক্ষেত্রে সূরার বিষয়বস্তু নির্ণয় করে থাকেন এবং এক্ষেত্রে আয়াতসমূহ পৃথক পৃথকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়| কিন্তু ছোট ছোট সূরার বিষয়বস্তু নির্ণয় করা তুলনামূলকভাবে সহজসাধ্য বিষয়| উদাহরণ¯^রূপ- যদি প্রশ্ন করা হয় যে, সূরা মুনাফিকুন এর বিষয়বস্তু কী? তাহলে সহজ উত্তর হচ্ছে নিফাক তথা কপটতা| অর্থাৎ যদি কেউ এ সূরাটি প্রথম থেকে শেষাবধি পাঠ করে তাহলে খুব সহজেই বুঝতে পারবে যে, এখানে মানুষের মুনাফেকি তথা দ্বিমুখী আচরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে; এ সূরার সমস্ত বিষয় ও আয়াত কপটতা ও নিফাক সম্পর্কে বিবৃত হয়েছে|

Related posts

সূরা তাগাবুনের তাফসীর

সূরা সাফফের তাফসীর

সূরা সাফফের তাফসীর

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More