খুলনায় আল-কুদস দিবস ২০১৮ পালিত

আল-কুদস দিবস বা আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস প্রতি বছর রমজান মাসের শেষ শুক্রবার পালিত হয়ে থাকে, যা ১৯৭৯ সালে ইরানে শুরু হয়েছিল। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনী জনগণের সাথে একাত্মতা প্রকাশ, জায়নবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ এবং ইসরাইল কর্তৃক জেরুযালেম দখলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ। জেরুযালেম শহরের অপর নাম আরবী ভাষায় ‘কুদস’ বা ‘আল-কুদস’। ইসলামী ইরানের মহান স্থপতি হযরত আয়াতুল্লাহ খোমেইনী (রহ.) ১৯৭৯ সালে ইরানে এর প্রবর্তন করেন এবং মুসলিম বিশ্বকে গুরুত্বের সাথে এদিনটি পালনের আহ্বান জানান।

 

ইমাম খোমেনী (রহ.) এর ঘোষণার প্রতি সমর্থন ও একাত্মতা এবং নির্যাতিত ফিলিস্তিন এর মুসলমানদের প্রতি সংহতি প্রকাশের উদ্দেশ্যে আঞ্জুমান-এ-পাঞ্জাতানী ও আহলে বাইত (আ.) ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গতকাল ৮ জুন শুক্রবার বাদ জুমা’ নগরীর আলতাপোল লেনস্থ আঞ্জুমান-এ-পাঞ্জাতানী ইমামবাড়ী হতে এক বিক্ষোভ র‌্যালী বের হয়ে নগরীর আলতাপোল লেন ও সাউথ সেন্ট্রাল রোড প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রে এসে শেষ হয়। বিক্ষোভ র‌্যালী কেন্দ্রে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে হাজী মহসিন রোড ও সাউথ সেন্ট্রাল রোড মোড়ে ইসরাইলের পতাকা পুড়িয়ে ইহুদিবাদী অত্যাচারী রাষ্ট্রের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা হয়।

র‌্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী বলেন-সারা বিশ্ব জুড়ে মুসলমানদের উপরে যে বর্বোরোচিত অত্যাচার জুলুম নেমে এসেছে সে প্রেক্ষাপটে আজ মুসলমানদের মধ্যে সকল বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। বিশ্ব আল-কুদস দিবস পালন করার উদ্দেশ্য হল ফিলিস্তিনিদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করা এবং এটা বোঝানো যে আমরাও তাদের সাথে আছি। সেখানে যে ষড়যন্ত্র চলছে তা হচ্ছে সিরিয়া ও ইরাকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে মুসলমানদেরকে উস্কানি দিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে তাদেরকে ব্যস্ত রেখে ফিলিস্তিনিদের উপর হামলা চালানো।

Related posts

আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকার : নীরব সমাজ ধ্বংসের পথে

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে উম্মাহ, ঐক্যের বন্ধন কতটা মজবুত?

নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More