মাসআলা (৩৪): শর্তসম্পন্ন মুজতাহিদকে শনাক্ত করার দুইটি উপায় রয়েছে।
১। পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস : সেটা জনমানুষের মাঝে বিদ্যমান ব্যাপক প্রসিদ্ধি মারফতও হতে পারে, আবার ব্যক্তিগত যাচাই বাছাই কিংবা অন্য কোনো মারফতও হতে পারে।
২। দু’জন ন্যায়পরায়ণ বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির সাক্ষ্য, যদিও তা আস্থা ও বিশ্বাস সৃষ্টির কারণ না হয়।
মাসআলা (৩৫): যদি মুজতাহিদের পূর্ণ যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে শারয়ী প্রমাণ (যেমন দু’জন ন্যায়পরায়ন ব্যক্তির সাক্ষ্য ও নিজে যথেষ্ট অভিজ্ঞ হওয়া) প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে যতক্ষণ না এর পরিপন্থী কোনো শারয়ী প্রমাণ পাওয়া যাবে, ততক্ষণ উক্ত শারয়ী প্রমাণ হুজ্জাতস্বরূপ হবে এবং তার উপর নির্ভর করা যাবে। যদিও তা নিশ্চিত জ্ঞান বা আস্থার কারণ নাও হয়। এক্ষেত্রে বিপরীত তথা পরিপন্থী কোনো প্রমাণের অনুসন্ধান করা এবং তা না থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক নয়।