ইমাম মাহদীর (আ.) ক্ষেত্রে আমাদের কিছু দায়িত্ব

নিঃসন্দেহে আমরা যারা ইমাম মাহদীর (আ.) প্রতি বিশ্বাসপোষণ করি এবং যারা তার প্রতি বিশ্বাসপোষণ করে না; তাদের মধ্যে বিস্তর ব্যবধান রয়েছে। অন্যদের তুলনায় ইমাম মাহদীর (আ.) ক্ষেত্রে আমাদের কিছু দায়িত্ব রয়েছে; যা সম্পাদন করা আমাদের ঈমান ও আকিদার পরিচয় বহন করে।

বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক হযরত হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন রাহিম কারগার বলেছেন যে, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন- এ পৃথিবীর ভবিষ্যত কেবলমাত্র সৎ ও ন্যায়বান ব্যক্তিদের উপর ন্যাস্ত। অর্থাৎ ভবিষ্যতে এ পৃথিবীর নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব থাকবে আল্লাহর অনুগত বান্দাদের হাতে। আল্লাহর নির্দেশে যখন ইমাম মাহদী (আ.) আবির্ভূত হবেন এবং এ পৃথিবীতে ন্যায় ও ইনসাফের শাসন কায়েম করবেন, তখন আল্লাহর অনুগত বান্দারাই তার একনিষ্ঠ সাথী ও সহযোগি হবে।

তিনি আরও বলেন যে, অন্যদের তুলনায় ইমাম মাহদীর (আ.) ক্ষেত্রে আমাদের কিছু দায়িত্ব রয়েছে; যা সম্পাদন করা আমাদের ঈমান ও আকিদার পরিচয় বহন করে। এখানে আমরা সে সব দায়িত্বাবলীর কিছু দিকের প্রতি ইশারা করছি-

১- প্রতিদিন প্রত্যুষে ইমাম মাহদীকে (আ.) উদ্দেশ্য করে সালাম নিবেদন করা

২- ইমাম মাহদীর (আ.) সুস্থ্যতা কামনা করে সদকা দান করা

৩- প্রতিদিন ফজরের নামাযের পর দোওয়া-এ-আহাদ পাঠ করা

৪- আমাদের দৈনন্দিক আমল ও কাজকর্মে ইমাম মাহদীকে (আ.) উসিলা করে আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করা।

Related posts

ইসলামি শিষ্টাচার: ছোটদের স্নেহ ও বড়দের প্রতি সম্মান

ইমাম রেযা’র (আ.) জ্ঞানপূর্ণ ব্যক্তিত্ব

প্রতিবেশীর অধিকার: সামাজিক সম্প্রীতি

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More