ইমাম হুসাইন যদি কারবালায় না যেতেন

কারবালার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোটাদাগে তিন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখতে পাওয়া যায়। একদল ইমাম হুসাইনের পক্ষে, যারা তাঁকে সত্যপন্থী বলে মনে করেন এবং তাঁর এই আন্দোলনকে আলাদাভাবে স্বীকৃতি দান করেন। দ্বিতীয় দলটি ইমাম হুসাইনকে সত্যপন্থী বলে মনে করলেও তাঁর এহেন পদক্ষেপকে কিছুটা অতি উৎসাহী, রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ভুল বা কিছুটা অদূরদর্শী পদক্ষেপ বলে ধারণা করেন। আর তৃতীয় দলটি ইয়াযিদের অনুসারীদের মতই সরাসরি তাঁকে বিদ্রোহী এবং ফেতনা সৃষ্টিকারী হিসেবেই গণ্য করে থাকে।

এখন এই তিন দলের মধ্যে কোন বিবেচনাটি সঠিক অথবা অধিক সমীচীন সেটি নির্ণয়ের পূর্বে ইতিহাসে কারবালা পরবর্তি আরো দুটি ঘটনার প্রতি দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন  – প্রথমটি হাররার ঘটনা আর দ্বিতীয়টি কাবা ঘর আক্রমণ।

হযরত হুসাইনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের দু’বছর না ঘুরতেই ইয়াযিদের দুঃশাসনের অসন্তোষ মদিনায় বিদ্রোহের রুপ নেয়। রাসুলের (সা:) সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের ছিলেন বিদ্রোহীদের নেতা। ইয়াযিদ মক্কা-মদিনায় তার ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখতে মুসলিম ইবনে উকবা নামের এক নিষ্ঠুর সেনাপতি নিয়োগ দিয়ে মদিনাকে ৩ দিনের জন্য হালাল ঘোষণা করে অর্থাৎ যা খুশি তাই করার লাইসেন্স প্রদান করে। যার ফলাফল ছিল – প্রায় ১০০০০ নারী-পুরুষের ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, ১০০০ নারী ধর্ষণ, শিশু হত্যা, লুটতরাজ ইত্যাদি (এবং এই ধর্ষনের ঘটনার অবধারিত ফলস্বরুপ মদিনায় প্রায় ১০০০ অবৈধ শিশুর জন্ম হয়।) মদিনায় আক্রমণের এই ঘটনাটি হাররা নামক স্থানের মাধ্যমে সূচনা ঘটে বলে ইতিহাসে এটি হাররার ঘটনা হিসেবে পরিচিতি পায়।

আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা) এর মূল ঘাঁটি ছিল মক্কায়। সিরিয়ার সেনাবাহিনী মদিনার পর মক্কায় অভিযান পরিচালনা করে। মক্কা অবরোধ করে রাখে, কাবা ঘরের পবিত্রতা নষ্ট করে মিনজানিক দিয়ে কাবা ঘরের এক অংশ ধ্বংস করে ফেলে এবং গোলায় কাবা ঘরের এক অংশে আগুন ধরে গেলে পবিত্র হাজরে আসওয়াদ পাথর ভেঙ্গে তিন খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। বলা বাহুল্য যে, এসবই ঘটেছে ইয়াযিদের তথাকথিত ‘ইসলামি খেলাফত’ টিকিয়ে রাখার বাহানায়। (সূত্রঃ ইবনে কাসির ও তারিখে তাবারী)

এমতাবস্থায় পাঠকের স্বচ্ছ বিবেকের কাছে যে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়া প্রয়োজন তা এই যে, উপরের দুটি ঘটনায় যে পরিমাণ অন্যায়, নির্যাতন, নিপীড়ন সংঘটিত হয়েছে এবং সেই সাথে ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর যে সম্মানহানী ও অবমাননা ঘটেছে এবং এর পবিত্রতা যেভাবে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে; সেটি এমনকি একজন সাধারণ মানের বিশ্বাসী মুসলমানের পক্ষে চিন্তা করা আদৌ সম্ভব কিনা সেটা যেন তারা অন্তত একবার ভেবে দেখেন।

ইসলামের বিধানে কোন নারীর প্রতি ইচ্ছাকৃত দৃষ্টিপাতকে যেখানে গুনাহ সাব্যস্ত করা হয়েছে সেখানে ১০০০ নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। কুরআনে যেখানে একজন ব্যাক্তিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করাকে সমগ্র মানবজাতিকে হত্যার সাথে তুলনা করা হয়েছে, সেখানে ১০০০০ মুসলমান অধিবাসীকে হত্যা করা হয়েছে যার মধ্যে রাসুলের সাহাবি থেকে শুরু করে নামকরা তাবেয়ীরাও ছিলেন। বাকী লুটতরাজ, শিশু হত্যা, মানুষের মনে ভীতি সঞ্চার এসব অপরাধের কথা নাহয় বাদই থাকলো।
এটা এমনও নয় যে, এসব অপরাধ সঙ্ঘটিত হয়েছে একদল কাফের-মুশরিকের বিরুদ্ধে যারা ইসলামের বিরোধিতা করে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। যদিও সেক্ষেত্রে এ অপরাধগুলো একই অপরাধ হিসেবেই বিবেচিত হত। একদল মুসলামান নামধারী সেনাবাহিনী একজন মুসলমান নামধারী অত্যাচারী শাসকের গদি টিকিয়ে রাখার জন্য মদিনার মুসলমান জনগোষ্ঠীর উপর যে নির্মম নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে সেটিকে কিভাবে, কোন যুক্তিতে এবং মহান আল্লহার ন্যায় বিচারের কোন মানদণ্ডে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব?

এবার কারবালার দিকে দৃষ্টি ফেরানো যাক। ইমাম হুসাইন একাধারে ছিলেন রাসুলের খাস পরিবারের (আহলে বাইতের) সদস্য, মক্কা ও মদিনার বুকে একজন নিষ্কলুষ ও পবিত্র ব্যক্তিত্ব এবং হাদিসের ঘোষণা অনুযায়ী জান্নাতের নেতা। তাঁর মত এরকম একজন ব্যক্তিকে যখন তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্য, এমনকি ৬ মাসের শিশুপুত্রসহ পিপাসার্ত অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, এবং তাঁর পরিবারের বাকী নারী-শিশুদের বন্দী করে নিয়ে যাওয়ার মত নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটে তখন একজন মুমিন বা মুসলমান হিসেবে আমাদের মনে নিশ্চয়ই এ প্রশ্নটি জেগে ওঠে যে এটি কোন সে ন্যায়বিচারের ইসলাম, আর কোন শান্তির ধর্ম যা ইয়াযিদ প্রতিষ্ঠা করতে চলেছিল! পবিত্র কুরআনে সুরা শুরার ৩০ নং আয়াতে রাসুলের (সঃ) নিকট আত্নীয়দের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের যে ফরজ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেটিই বা কোন উপায়ে সে রক্ষা করতে চলেছিল?

প্রতিটি অন্যায়কারীই তার অন্যায় ও অপরাধের পক্ষে একটি অপযুক্তি দাঁড় করায়। নিজের পক্ষে এবং যার প্রতি সে অন্যায় করে তার বিপক্ষে একধরনের লেবেল সেটে দিয়ে সকল অপকর্মের দায়মুক্তির ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করতে চায়। ইবলিস আদম (আঃ) কে সিজদাহ না করার জন্য তার শ্রেষ্ঠত্বের অপযুক্তি নিয়ে হাজির হয়েছিল (সুরা আ’রাফঃ১২) এবং খোদ আল্লাহ তায়ালাকেই তাকে পথভ্রষ্ট করার দায় চাপিয়েছিল (সুরা আ’রাফঃ১৬)। ইয়াযিদ ও তার অনুসারীরা ঠিক এই কাজটিই করেছে এবং আজ অবধি তা করে যাচ্ছে। সে নিজেকে মুসলমানদের খলিফা দাবি করেছে এবং ইমাম হুসাইনকে ইসলাম ধর্মের বিদ্রোহী হিসেবে প্রচার করতে চেয়েছে। আর সেটিকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তার অনুসারীরা ইসলামি নেতৃত্বের প্রতি অন্ধ আনুগত্যের নানা সত্য ও মিথ্যা হাদিস বিভ্রান্তিমূলকভাবে পরিবেশন করে ইয়াযিদের দায়মুক্তির এক জগাখিচুড়ির উপাখ্যান রচনা করে চলেছে।

আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি, হাররায় যে সেনাবাহিনী গণধর্ষণ ও গণহত্যা চালিয়েছে তারা কোন প্রকৃতির মুসলমান? কোন শিক্ষায় এতদিন তারা বেড়ে উঠেছে? তাদের মন ও মগজে ইসলামের কোন আলো প্রবেশ করেছে? যে প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার অধীনে নির্ভয়ে এমন জাহেলি যুগের মানসিকতার পরিচয় তারা দিয়েছে সে প্রশাসনের চেতনা, শিক্ষা ও মননে কোন আদর্শ তারা লালন করে এসেছে? এই মসনদ যদি বিনা প্রশ্নে টিকে যেত, তাহলে ইসলামের কোন বিকৃত আচার-আচরণ ও সংস্করণ শেষ পর্যন্ত আমাদের হাতে এসে পৌঁছাতো? ইতিহাস কি এ প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের কাছে প্রত্যাশা করেনা?

এখন আসা যাক যে দলটি ইমাম হুসাইনকে অতি উৎসাহী, গোঁয়ার, অদূরদর্শী বা প্রজ্ঞাহীন বলে ধারণা করে থাকেন তাদের ব্যাপারে। কারবালা, হাররা ও কাবা ঘরে আক্রমণ এর মত ৩ টি ন্যাক্কারজনক জলজ্যান্ত  ঘটনা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। অথচ আজ এমনকি ১৪০০ বছর পরও এঘটনাগুলোর মূল হোতা ইয়াযিদের মত পাপীষ্ঠকে জান্নাতে পাঠানোর এবং জান্নাতের নেতা ইমাম হুসাইনকে দোষী সাব্যস্ত করার বা নিদেনপক্ষে তাঁর আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রাণান্ত প্রচেষ্টা দৃষ্টিকটুরুপে বিদ্যমান রয়ে গিয়েছে। তাহলে ইমাম হুসাইনের মত ব্যক্তি যদি সেদিন ইয়াযিদের সাথে আপসরফা করে ফেলতেন, আজ সেক্ষেত্রে ইসলামের কোন চেহারাকে আমরা প্রতিষ্ঠিত দেখতে পেতাম সে প্রশ্নটি ভেবে দেখার প্রয়োজন কি আমরা কখনো অনুভব করেছি?

যে ইয়াযিদ ও তার অনুসারীরা জনসমক্ষে ঘটে যাওয়া হাজার নারীর ধর্ষণের কলঙ্কজনক ঘটনাকে, নিরপরাধ নারী-পুরুষ-শিশুদের গণহত্যার মত জঘন্য ঘটনাকে কেবল খলিফার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অজুহাতে জায়েজ ও হালাল সাব্যস্ত করার প্রয়াস পেয়েছে, সেই মদ্যপ ও ভ্রষ্ট চরিত্রের ইয়াযিদ নির্বিঘ্নে ক্ষমতায় বসে থাকলে ইসলামের কোন হারাম কে হালাল আর কোন হালালকে হারাম করা থেকে পিছিয়ে আসতো বলে আমরা আজ ভাবতে বসেছি? ইমাম হুসাইন কি সেই ব্যক্তি নন যিনি আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন যে, ইসলামের আলেম ও জ্ঞানী সমাজ যদি ক্ষমতার ভরকেন্দ্র থেকে উঠে আসা জুলুমবাজ ও ফিতিনাবাজদের বিরুদ্ধে “সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ” থেকে ভয়, লোভ অথবা অলসতায় পিছিয়ে আসে তার ফলাফল কী হতে পারে? আমরা যদি নাও বুঝতে পারি, সেদিন হয়ত মদিনার অত্যাচারিত ও নির্যাতিত মুসলমান অধিবাসীরা ইমাম হুসাইনের সাহায্যে এগিয়ে আসতে না পারার ব্যর্থতা তাদের মর্মে উপলব্ধি করতে পেরেছিল।

ইমাম হুসাইন যে ক্ষমতার লোভে বের হননি সেটা তিনি তাঁর ভাষণগুলোতে খুব স্পষ্ট করেই উল্লেখ করেছেন। তাহলে তিনি কি এতটাই নির্বোধ ছিলেন যে হাজার হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনীর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ক্ষমতা মদমত্ত হয়ে ৭২ জনের এক সামান্য দল নিয়ে কেবল জিদের বশে যুদ্ধে বের হয়েছিলেন? নাকি তিনি বরঞ্চ বস্তুগত শক্তিহীনতার কথা জেনেও নিজেকে ও নিজের পরিবারের সদস্যদের আত্মোৎসর্গের মাধ্যমে ইয়াযিদের প্রকৃত চেহারাকে উন্মোচিত করে গিয়েছিলেন? এবং সত্যিই তো তিনি এ অভিনব প্রতিবাদের মাধ্যমে ইয়াযিদের মসনদের ভীত নড়িয়ে দিয়ে গিয়েছেন।
কারবালার কৃতিত্ব তাই এখানে যে, তা ইসলামের মিথ্যা প্রতিনিধিত্বের দাবীদার ইয়াযিদ ও প্রকৃত ইসলামের মাঝে ভেদরেখা টেনে দিয়েছে। সেই সাথে তা ইয়াযিদের অনুসারী ও প্রকৃত ইসলামের অনুসারীদের মাঝেও একটি প্রভেদ রেখা অঙ্কন করেছে যাতে করে ইসলামের নাম ব্যবহার করে হীন ও নিকৃষ্টতম অপকর্মের সাফাই গাওয়ার দঃসাহসের দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। ইমাম হুসাইন সমগ্র মানবতার ইতিহাসে সবচেয়ে সহায়হীন অবস্থায় থেকেও অনড় মনোবল ও দৃপ্ত প্রতিবাদে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নজিরবিহীন এক অনন্য প্রতীক।

কারবালার আন্দোলন তাই যুগে যুগে অত্যাচারিত ও নির্যাতিত গণমানুষের কণ্ঠস্বর আর অত্যাচারীর জন্য তা এক অবধারিত ত্রাস। আর ঠিক এখানেই এই আন্দোলনকে নানা দিক থেকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কিংবা গুরুত্বহীন করে ফেলার ষড়যন্ত্রের রহস্য লুকায়িত। কেউ বুঝে অথবা না বুঝেই যুগে যুগে এই ষড়যন্ত্রের শিকার পরিণত হয়েছেন। মীর মোশাররফ হোসেনের “বিষাদ সিন্ধু” এমনই এক উদাহরণ যেখানে এই মহান আন্দোলনকে স্রেফ এক প্রেমের উপাখ্যানে পর্যবসিত করে এর মূল চেতনাকেই পথভ্রষ্ট করা হয়েছে। এমনকি আজ হযরত হুসাইনের ভালবাসায় ও শোকে যে কাসীদা ও শোকগাঁথাগুলো প্রচলিত রয়েছে সেখানেও তাঁকে কেবলই পরাজিত ও করুণার পাত্র রাসুলের (সাঃ) এক সন্তান হিসেবে উপস্থাপনের ভাষ্যই অনেক ক্ষেত্রে মূল উপজীব্য হয়ে আছে।

এতে সন্দেহ নাই যে, রাসুলের (সঃ) অতি প্রিয়ভাজন সন্তান, জান্নাতের নেতৃত্বস্থানীয় একজন পবিত্র ব্যক্তিত্বের এমন মর্মান্তিক শাহাদাত আমাদের জন্য কখনো কাম্য নয়। ঠিক তেমনিভাবে তাঁর মত ব্যক্তিত্ব ইয়াযিদের মত একজন দুরাচারের সকল অপকর্মের বিপরীতে প্রতিবাদে উচ্চকিত না হয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাতে আপোস-মীমাংসার মাধ্যমে পরোক্ষ অনুমোদন দিয়ে যাবেন সেটাও ইসলাম কামনা করেনা। মাওলানা মুহাম্মাদ আলী জওহার তাই তাঁর ঐতিহাসিক লাইনটিতে একথাই ব্যক্ত করে গিয়েছেন – “ইসলাম জিন্দা হোতা হ্যায় হার কারবালা কে বাদ”, অর্থাৎ “প্রতিটি কারবালার পরই ইসলাম জেগে ওঠে”। আমাদের রাসুলও (সঃ) যখন তাঁর হাদিসে বলেন “হুসাইন আমা হতে আর আমি হুসাইন হতে”, তখন হুসাইনের আত্নত্যাগের মধ্য দিয়ে রাসুলে (সঃ) আনীত ইসলামের জাগরণের বিষয়টিও তাই খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আশুরা ও কারবালার স্মরণ যেন এই বার্তাটি সবার কাছে পৌঁছে দিতে পারে সেটি নিশ্চিত করাই আজ আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। সম্পাদনা: রাশিদ, সুত্র : ইন্টারনেট।।

Related posts

পিতা-মাতার প্রতি কর্তব্য: জান্নাত লাভের সহজ পথ

শবে কদরের ফজিলত, মর্যাদা ও প্রাসঙ্গিক কথা

ইমাম হাসান মুজতাবা (আ.)-এর অমিয় বাণী

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More