কিভাবে যিকর পাঠ করা উত্তম?

অনুবাদ: মোঃ হোসাইন কাদীর গাজী
ছাত্র, ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র, খুলনা

আয়াতুল্লাহ বাহজাত (রহ.) বলেছেন: রাসুলুল্লাহ (সা.) কিংবা কোনো একজন নবী তার সাহাবীদের সাথে পাহাড়ে উঠছিলেন। এমতাবস্থায় তার সাহাবীগণ উচ্চস্বরে তাকবির ও তাহলিল পাঠ করছিলো। তখন উক্ত নবী (আ.) তার সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বললেন: আস্তে পাঠ করো, কেননা আল্লাহ অতি নিকটবর্তী এবং তিনি বধির নন। তোমরা দূরের বধির খোদাকে ডেকো না।

একজন উচ্চমানের খতিব ইসলাম ও মুসলমানদের বিজয়ের জন্য দোয়া করলেন এবং মজলিসে উপস্থিত লোকেরা মৌমাছির শব্দের মতো গুন গুন করে “আমিন” বললেন, উচ্চস্বরেও নয়, আবার খুব আস্তেও নয়, বরং স্বাভাবিক আওয়াজে (কন্ঠে)।

মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে বলেছেন:
وَلَا تَجْهَرْ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتْ بِهَا وَٱبْتَغِ بَيْنَ ذَٰلِكَ سَبِيلًا

অর্থ: তোমরা নামাজ আদায়কালে উচ্চস্বরে পাঠ করো না, আবার নিঃশব্দেও পাঠ করো না, বরং এতদুভয়ের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করো। (সুরা বনী ইসরাইল, আয়াত-১১০)। সুতরাং তাকবির, তাহলিল বা যিকরসমূহ মৌমাছির মতো গুন গুন করে পাঠ করা উত্তম।

তথ্যসূত্র: দার মাহযারে বাহজাত ###

Related posts

দো‘আ কবুলের অন্তরায় ও আত্মশুদ্ধি

তাত্ত্বিক ভিত্তিসমূহ

ইসলামি শিষ্টাচার: ছোটদের স্নেহ ও বড়দের প্রতি সম্মান

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More