নামায ও কুরআনের সম্পর্ক

বহুক্ষেত্রে কুরআন ও নামাযের কথা পাশাপাশি এসেছে: “ইয়াত্লূনা কিতাবাল্লাহি ওয়া আক্বামুস্ সালাহ্।” সূরা: ফাতির, ২৯তম আয়াত) অর্থাৎ তারা কুরআন তিলাওয়াত করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে।” অন্যত্র তিনি বলেন: “ইয়ুমাস্সিকূনা বিলকিতাবি ওয়া আক্বামুস্ সালাহ্। (সূরা: আ’রাফ, ১৭০তম আয়াত।)” অর্থাৎ তারা কুরআনকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে।
কোথাও নামায ও কুরআনের জন্যে একটিই বিশেষণ আনা হয়েছে। যেমনভাবে কুরআনের স্থলে যিকর শব্দ বলা হয়েছে: “ইন্না নাহনু নাযযালনায যিকরা। (সূরা: হিজর, ৯ম আয়াত)” আমরা যিকর অবতীর্ণ করেছি এবং নামাযের দর্শন হিসেবে বলা হয়েছে: “আক্বিমিস্ সালাতা লিযিকরী। (সূরা: ত্বাহা, ১৪তম আয়াত) “আমার স্মরণে নামায প্রতিষ্ঠা কর!”
আকর্ষণীয় ব্যাপার এই যে, কোথাও নামায (সালাত) শব্দের স্থলে কুরআন শব্দ এসেছে, যেমন “ইন্না কুরআনাল্ ফাজরি কানা মাশহুদা। (সূরা: ইসরা, ৭৮তম আয়াত)
আয়াতটির ব্যাপারে বলা হয়েছে যে, “কুরআনাল ফাজর” এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ফজরের নামায।”
আমরা এ বিষয় ছেড়েই দিচ্ছি যে, হাম্দ ও সূরাস্বরূপ কুরআন পড়া, নামাযের ওয়াজিবসমূহের একটি এবং কুরআনের অধিকাংশ সূরা, যেমন বৃহত্তম সূরা (বাকারাহ্) এবং ক্ষুদ্রতম সূরা (কাউসার) -এর মাঝেও নামাযের আলোচনা এসেছে

Related posts

প্রতিবেশীর অধিকার: সামাজিক সম্প্রীতি

পরোপকার ও সহমর্মিতা: মানবিকতার মূল ভিত্তি ও ঈমানের দাবি

নম্রতা ও বিনয়: আত্মিক প্রশান্তির চাবিকাঠি

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More