অনুবাদ: মোঃ হোসাইন কাদীর গাজী
ছাত্র, ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র, খুলনা
আয়াতুল্লাহ বাহজাত (রহ.) বলেছেন: বর্তমান যুগ এমন একটি যুগ যেখানে ইসলামী বিশ্ব ও মুসলমানরা বিপর্যয়ের মধ্যে নিমজ্জিত আছে এবং কেউ-ই এ থেকে মুক্ত বা নিরাপদ নন। অতীতের বুজুর্গ ব্যক্তি এবং শিক্ষকরা যেমনভাবে শুধুমাত্র পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতেন, বর্তমান যুগে তেমনভাবে শুধুমাত্র পড়াশোনায় মনোনিবেশ করা সম্ভব নয়। আমরা আমাদের শিক্ষক ও বুজুর্গদের কাছ থেকে শুনেছি যে, তারা দিবা-রাত্রি নির্দিষ্ট পরিমাণে পাঠদান করতেন কিন্তু এখন তারা অবসরে আছেন। বর্তমান ইসলামী বিশ্ব ও মুসলমানরা বালা-মুসিবতে এতোটাই জর্জরিত যে, তাদের কোনো অবসর নেই। তারা প‚র্বের ব্যক্তিদের ন্যায় পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে পারেন না।
রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে যে,
من أصبح مخلی فی سربه و عنده قوت یوم، قد أصبح ملکا آمنا
অর্থাৎ “যার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা এবং সারাদিনের খাবার রয়েছে, সে গোটা দুনিয়ার মালিক”।
বর্তমান যুগের কোনো ছাত্র যদি অধ্যয়ন করার মাধ্যমে এক বা দুইটি অধ্যায় সমাপ্ত করে তাহলে সে সফল এবং সে সত্যিই কিছু করেছে। তবে এর অর্থ এটা নয় যে, সে ইসলাম ও মুসলমানদের বিশেষ করে শিয়াদের বিপর্যয় ও মুসিবত সম্পর্কিত ব্যাপারে উদাসীন হবে এবং বলবে যে, যা হয় হোক আমার কোনো যায় আসে না। সাবধান, কখনোই এমনটা বলা যাবে না। তাদেরকে অবশ্যই পড়াশুনার পাশাপাশি এসব বিপর্যয় ও মুসিবত দ‚র করতে গুরুত্বপ‚র্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।
শিক্ষা: পড়াশুনার পাশাপাশি সামর্থ অনুযায়ী ধর্মীয় ও মাযহাবগত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
(তথ্যসুত্র: দার মাহযারে বাহজাত, খন্ড-৩, পৃষ্ঠা-২৬০)###
