খুমসের আহকাম

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী - এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

by Syed Yesin Mehedi

মাসআলা (১১৯৯ : শারয়ী (ধর্মীয়) অর্থকড়ি (যেমনঃ খুমস ও যাকাত), যা তার নির্ধারিত খাতে ব্যয় হওয়ার কথা, ওয়ালীয়ে আমরে খুমসের অনুমতি ব্যতিরেকে তদ্বারা ব্যবসা বাণিজ্য করা এবং উক্ত অর্থকড়ির নির্ধারিত খাতে খরচ করা থেকে বিরত থাকা, যতই একাজের পিছনে উদ্দেশ্য থাকুক যে এর থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ কোনো সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করা হবে, তবুও একাজে আপত্তি রয়েছে| আর যদি তদ্বারা বাণিজ্য করা হয়, তাহলে অর্জিত লভ্যাংশ মুলধনের অনুগামী হবে এবং মুলধন যেসব খাতে ব্যয় হবে, লভ্যাংশেও ঐ একই খাতে ব্যয় করতে হবে এবং তাতে খুমস নেই|
মাসআলা (১২০০) : কেউ যখন কোনো ব্যক্তির (ওয়ালীয়ে আমরে খুমস এর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত) অনুমতির ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করবে তখন সে উক্ত ব্যক্তির নিকট সম্মানের সাথে চাইবে যেন তার লিখিত অনুমতি পত্র তাকে দেখায়| অথবা এমন কোনো খুমস পরিশোধের রসিদ দেখানোর জন্য অনুরোধ করবে, যেখানে ওয়ালীয়ে আমরে খুমসের সিল মারা রয়েছে| যদি সে ওয়ালীয়ে আমরে খুমসের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত অনুমতি মোতাবেক কাজ করে থাকে তাহলে তার কাজ গ্রহণীয় হবে|
মাসআলা (১২০১) : যে ব্যক্তি শারয়ীভাবে হকদার নয় এবং হাওযার শাহরিয়া (তথ্য মাসিক ভাতার)ও আওতায় পড়ে না, তার জন্য ইমাম (আ.) এর অংশ এবং সাদাতের অংশ গ্রহণ করা জায়েয নয়|

সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম  বই থেকে সংগ্রহীত

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী – এর ফতোয়া অনুযায়ী   সংকলিত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔