মানসিক স্বাস্থ্য এবং পরিবার ও সমাজের নিরাপত্তায় মায়ের ভূমিকা

পারিবারিক বিষয়ে নারীর ইতিবাচক ভূমিকা পরিবারে একটি নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করে। পারিবারিক প্রশিক্ষণ বিষয়ক মনোবিজ্ঞানী মিস সীমা ফেরদৌসিপুর “পারিবারিক বিষয়ে নারীর ভূমিকা” শীর্ষক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন: পারিবারিক নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্য প্রদানের সবচেয়ে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সামলানোর ক্ষমতা নারীদের রয়েছে।
তিনি বলেন: দুশ্চিন্তা সকল রোগের জননী। পারিবারিক সমস্যায় প্রথমত একজন ব্যক্তির জন্য সমস্যাটি সনাক্ত করা, এটির চিকিৎসা করা এবং প্রাথমিক পর্যায়ে এটি সমাধানের চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা না হয়।
সরকার খানুম ফেরদৌসিপুর বলেছেন: নারীদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হল একজন মায়ের।
একজন আদর্শ মায়ের উচিত তার সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য নিজেকে এবং তার সন্তানকে ব্যবহার করে তার সন্তানের মানসিক, উদ্বিগ্ন এবং মানসিক অনুভূতিগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং প্রশমিত করা।
তিনি বলেন: মা ও শিশুর মানসিক সংযুক্তিতে শিশুর নিরাপদবোধ করা উচিত। উপযুক্ত ও সন্তোষজনক উপায়ে সন্তানের যেকোনো প্রয়োজনে একজন মায়ের তাৎক্ষণিক এবং উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া শিশুর আত্মসম্মান ও মানসিক নিরাপত্তার দিকে নিয়ে যায়।
এই পারিবারিক-প্রশিক্ষণ মনোবিজ্ঞানী বলেছেন, যে মায়ের জন্য সন্তানের উপর চাপ, উদ্বেগ এবং উদ্বেগ না দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মানসিক চাপ শুধু খারাপ কথা এড়িয়ে চলার নামই নয়, মায়ের চেহারা থেকেও শিশু এই জিনিসটি অনুভব করে, তাই চেষ্টা করুন সন্তানদের সামনে উদ্বেগ বা উদ্বেগ প্রকাশ না করার, কারণ এভাবেই একই জিনিস স্থানান্তরিত হয় এবং এটি মানসিক দুর্বলতা এবং চাপ সৃষ্টি করে।####

 

Related posts

ইসলামি শিষ্টাচার: ছোটদের স্নেহ ও বড়দের প্রতি সম্মান

ইমাম রেযা’র (আ.) জ্ঞানপূর্ণ ব্যক্তিত্ব

প্রতিবেশীর অধিকার: সামাজিক সম্প্রীতি

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More