ইমাম রেযা’র (আ.) জ্ঞানপূর্ণ ব্যক্তিত্ব

ইমাম রেযা’র (আ.) জ্ঞান এতটাই উচ্চ পর্যায়ের ছিল যে, তাকে “আহলে বাইতের আলেম” উপাধিতে ভূষিত করেছেন।
আবা সাল্ব, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুসা ইবনে জাফর (আ.) থেকে বর্ণনা করেছেন: ইমাম মুসা ইবনে জাফর (আ.) তার সন্তাকে বলতেন: তোমাদের ভাই আলী ইবনে মূসা, নবী পরিবারের একজন জ্ঞানী ব্যক্তি, তোমাদের ধর্মীয় বিষয়াদি সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে তার নিকট থেকে উত্তর জেনে নাও, সে যা কিছু তোমাদেরকে শিক্ষা দেবে সেগুলো স্মরণে রেখ, কারণ বারংবার আমার পিতা ইমাম সাদিক (আ.) আমাকে বলেছেন: রাসূলের (আ.) আহলে বাইতের আলেম তথা জ্ঞানী তোমার বংশ হতে জন্মলাভ করবে। তিনি আফসোস করে বলতেন, হায় যদি আমি সে সময় উপস্থিত থাকতে পারতাম ও তাকে দেখতে পেতাম। 
লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, ইমামদের মধ্যে ইমাম বাকের (আ) ও ইমাম সাদিক(আ.) জ্ঞান চর্চা ও আহলে বাইতের জ্ঞান বিস্তারে সবচেয়ে বেশি অবকাশ পেয়েছিলেন। এ অবস্থায় ইমাম রেযা(আ.) যদিও এক্ষেত্রে তেমন কোন অবকাশ পাননি তারপরেও তিনি “আহলে বাইতের আলেম” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন, অবশ্য এক্ষেত্রে ধারণা করা যেতে পারে যে,
বিতর্ক অনুষ্ঠান, জ্ঞানের আলোচনা সভা ও আকীদা বিশ্বাস নিয়ে বিভিন্ন লোকের সাথে কথা-বার্তা বলার কারণে হয়তো এ ধরণের গুরুত্ব ও মর্যাদা লাভ করেছেন এবং নবী বংশের আলেম বলে প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন।

Related posts

প্রতিবেশীর অধিকার: সামাজিক সম্প্রীতি

পরোপকার ও সহমর্মিতা: মানবিকতার মূল ভিত্তি ও ঈমানের দাবি

নম্রতা ও বিনয়: আত্মিক প্রশান্তির চাবিকাঠি

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More