বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
বিগত দুই দশক ধরে ইসলামবিরোধী চরমপন্থী গোষ্ঠী বাকস্বাধীনতার আড়ালে কখনো ইসলামের মহান নবীর (সা.) অবমাননা করে, আবার কখনো পবিত্র ঐশী গ্রন্থ আল—কুরআন পুড়িয়ে পবিত্র ইসলাম ধর্মকে তাদের ঘৃণ্য লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত করে আসছে, যার সর্বশেষ ঘটনা সম্প্রতি সুইডেনে ঘটলো। সুইডেনের উগ্রপন্থী রাজনৈতিক নেতা অভিশপ্ত রাসমুস পালুদান পুলিশী নিরাপত্তার মধ্যে দাঁড়িয়ে পবিত্র কুরআন শরীফে আগুন ধরিয়ে দেয়। ২০২২ সালে এপ্রিলে রমজান মাসে কুরআন পোড়ানোর ‘সফর’ ঘোষণা করেও এই কুলাঙ্গার বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল।
বাকস্বাধীনতা ও দেশের আইনের দোহাই দিয়ে রামসুস পালুদান নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের যে কৌশল অবলম্ভন করেছে তা শীঘ্রই তার জন্য বুমেরাং হয়ে দেখা দেবে। আইন যদি মানবকল্যাণের জন্য হয় তাহলে এ কেমন আইন যে, পৃথিবীর অন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পুড়িয়ে এবং অবমাননা করে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষের হৃদয়কে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করা হচ্ছে? আজ বলতে হয়, এর জন্য মূলতঃ মুসলমানদের মধ্যে অনাকাঙ্খিত অনৈক্য ও দায়িত্বহীনতাই দায়ী। সময় এসেছে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়া।
আমি এই জঘণ্য অপরাধের তীব্র নিন্দা এবং বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানদেরকে সুইডিশ সরকারের সাথে সকল ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে এই নিন্দাত্মক ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
সৈয়দ ইব্রাহীম খলীল রাজাভী
সভাপতি , আহলুল বাইত (আ.) ফাউন্ডেশন ও অধ্যক্ষ, ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র, খুলনা