ইসলামে বিভ্রান্তির অন্ত নেই। যতই দিন যাচ্ছে এর শাখা প্রশাখার বিস্তৃতি ঘটছে। তেমনি একটি বিভ্রান্তি আছে আমাদের সমাজের একটি অংশের ভিতর রাসূল (সাঃ) এর সম্মানিত চাচা হযরত আবু তালিব (রাঃ) সম্পর্কে।
তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন নাই। হযরত আলী (আঃ) এর বিরুদ্ধবাদীরা বিশেষ করে উমাইয়া শাসকদের একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অনিবার্য ফল এই বিষয়টি। কুচক্রী মহল অতি সুক্ষ্মভাবে হযরত আবু তালিব (রাঃ) এর বিরুদ্ধে নানা প্রকার বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে এবং নিজেদের মনগড়া হাদীস রচনা করে তাতে ইসলামের লেবাস পরিধান করে ব্যাপকভাবে। যা আজ বিভিন্ন হাদীস হিসাবে পরিচিত দেখতে পাই। মুসলমানরা আজ তারই দুঃখজনক শিকার।
যারা বলেন হযরত আবু তালিব (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করেন নাই, তাদের নিকট ইসলাম গ্রহণের সংজ্ঞা কি অথবা কাদের প্রদত্ত সংজ্ঞায় তারা বিশ্বাসী তা তলিয়ে দেখা দরকার। খতিয়ে দেখা দরকার তাদের গুরুদের ইতিহাস।
অথচ ইতিহাস সাক্ষী, হযরত আবু তালিব তাঁর আশি বছরের জীবনের এক মুহূর্তের জন্যও মুর্তি পূজায় অংশ নেননি। কিংবা তুচ্ছতম কোন মন্দ বা গর্হিত কাজের প্রতি তাঁর মৌন সমর্থন বা অংশগ্রহণের একটি উদাহরণও কেউ পেশ করতে পারবে না। বরং তাঁর জীবনেতিহাস হচ্ছে মানব কল্যাণে আত্মনিবেদিত এক মহান ব্যক্তিত্ব। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, ভদ্রতা, নম্রতা, পরোপকারিতা, অতিথিপরায়ণতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যাবলী তাঁর মধ্যে ছিল পুর্বপুরুষদের ন্যায় বিদ্যমান। তাঁর চারিত্রিক সদগুণাবলী, দৃঢ়তা, আত্মপ্রত্যয়, বলিষ্ঠ মনোবল, অনন্য যোগ্যতা ইত্যাদি গুণ বৈশিষ্ট্যই তাঁকে সম্মানের সু উচ্চাসনে সমাসীন রেখেছিল। পক্ষান্তরে, মহানবী (সাঃ) আবির্ভূত হওয়ার পূর্বেও তিনি ছিলেন তৌহিদবাদের বিশ্বাসী একজন খাঁটি মু’মিন মুসলমান এবং পিতা আব্দুল মুত্তালিব এর মৃত্যুর পর তিনি খানায়ে কা’বার মুতাওয়াল্লী বা তত্ত্বাবধায়ক মনোনিত হন। এ জন্যই মক্কাবাসীদের নিকট তিনি ছিলেন সবচাইতে সম্মানিত ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
হযরত আবুতালিব (রাঃ) এর স্ত্রী অর্থাৎ হযরত আলী (আঃ) এর মাতার নাম ছিল ফাতিমা বিনতে আসাদ (রাঃ)। হযরত আবু তালিব (রাঃ) ধার্মিক লোক ছিলেন এবং হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর ধর্মের অনুসারী একেশ্বরবাদী ছিলেন। তিনি মুর্তিপূজা বা অংশীবাদে কখনও বিশ্বাস করতেন না। (কাশফ আল গম্মাহ, খঃ ১, পৃঃ ৬০)
তিনি বিবাহের জন্য ধার্মিক মেয়ে খুঁজতে লাগলেন। আবু তালিব তার চাচা আসাদ এর বাড়ী গিয়ে তার কন্যা ফাতিমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। চাচা প্রস্তাবে রাজী হন। হযরত আবু তালিব এবং ফাতিমা ছিলেন হাশেমী গোত্রের প্রথম যুগল যারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ফাতিমাও স্বামীর ন্যায় একেশ্বরবাদী।
- মুর্তিপূজা বা অংশীবাদে তিনি কখনও বিশ্বাস করতেন না। (আল ফুসুল আল মহিম্মাহ, পৃঃ ১৭২)
- এই বিবাহে যে সীগা তথা কলেমা পড়া হয় তা ছিল তাওহীদ বা স্রষ্টার একত্ববাদের বিস্তারিত স্বীকৃতি। যার বিস্তারিত উল্লেখ আছে বিহারুল আনোয়ার এর ৩৫ খন্ড পৃঃ ৯৮তে।
- তাঁর ছেলেমেয়েরা হল হযরত আলী (আঃ), হযরত জাফর (রাঃ), হযরত আকিল (রাঃ), জুমানাহ এবং ফাখতাহ (উম্মে হানী, মহানবী (সাঃ) এর স্ত্রী)। (বিহারুল আনওয়ার, খঃ ২২, পৃঃ ২৬)
- ফাতিমা বিনতে আসাদ আলী (আঃ) ইবনে আবিতালিব এর জন্ম কাবার অভ্যন্তরেই দিয়েছিলেন। (আল মুসতাদারক, খঃ ৩, পৃঃ ৪৮৩)
- ফাতিমা বিনতে আসাদ ছিলেন ইসলাম গ্রহণকারী একাদশতম ব্যক্তি। আবার হযরত খাদিজা (রাঃ)-এর পর তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি রাসূল (সাঃ) এর প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেছিলেন। (ইবনে আবী আল হাদিদ, শারহে নাহজুল বালাগাহ, খঃ ১ পৃঃ ১৪)
হযরত আবু তালিব (রাঃ)-এর এক পুত্র হযরত জাফর ইবনে আবু তালিব (রাঃ) মু’তার যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি হিসাবে অসীম বীরত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে শাহাদাতবরণ করেন। তাঁর শাহাদাতের পর মহানবী (সাঃ) দীর্ঘদিন ধরে শোকাভিভূত ও বিমর্ষ ছিলেন। আর তাঁর দু’চোখ দিয়ে অঝোরে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিলো। অবশেষে হযরত জিবরাইল (আঃ) এসে মহানবী (সাঃ)কে সুসংবাদ দান করেন যে, আল্লাহপাক জাফরকে তাঁর দু’টো কর্তিত হাতের পরিবর্তে নতুন দু’টি রক্ত রাঙ্গা হাত দান করেছেন এবং তিনি জান্নাতে ফেরেশতাদের সাথে উড়ে বেড়াচ্ছেন। এজন্য তাঁকে বলা হয় “জাফর-এ-তৈয়ার” বা দু’পাখার অধিকারী জাফর।
ফাতিমা বিনতে আসাদ ৬০ থেকে ৬৫ বছর বেঁচে ছিলেন। হিজরতের তৃতীয় বছরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং জান্নাতুল বাকীতে তাঁকে সমাহিত করা হয়। তিনি ইন্তেকাল করলে রাসুল (সাঃ) তাঁর নিজের একটি কাপড় দ্বারা ফাতিমা বিনতে আসাদ (রাঃ)-এর শরীর আচ্ছাদিত করেন। তিনি নিজে কবর খনন করে তাকে শায়িত করেন এবং তাঁর জন্য দোয়া করেন। (আল ফুসুল আল মুহিম্মাহ, পৃঃ ১৭৭)।
হযরত মহানবী (সাঃ) এর বয়স যখন আট বছর তখন তাঁর অভিভাবক ও পিতামহ হযরত আব্দুল মুত্তালিব মৃত্যুবরণ করেন। দাদার মৃত্যুবরণ মহানবী (সাঃ) এর কোমল আত্মার ওপর এতটা গভীর দাগ কেটেছিল যে, দাদা আব্দুল মুত্তালিব যেদিন মৃত্যুবরণ করেছিলেন সেদিন তিনি সমাধিস্থলে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা পর্যন্ত অশ্রুপাত করেছিলেন এবং তিনি কখনই পিতামহ আব্দুল মুত্তালিবকে ভোলেননি। (তারিখে ইয়াকুবী, ২য় খন্ড, পৃঃ ৭)
দাদার মৃত্যুর পর তাঁর চাচা হযরত আবু তালিব (রাঃ) হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর অভিভাবকত্বের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। হযরত আবু তালিব ছিলেন মহানবী (সাঃ)-এর পিতা হযরত আব্দুল্লাহর সহোদর। আবদুল্লাহ ছিলেন আব্দুল মুত্তালিবের সর্বকনিষ্ঠ ছেলে। আব্দুল্লাহ, যুবায়র ও আবু তালিব এই তিনজন ছিলেন আব্দুল মুত্তালিবের স্ত্রী ফাতিমা বিনতে আমর এর গর্ভজাত সন্তান। হযরত হামযা (রাঃ), হযরত আব্বাস (রাঃ) অন্য স্ত্রীর সন্তান। (সীরাতুন নবী (সাঃ), ইবনে হিশাম, ইফাবা, প্রথম খঃ পৃঃ ১৫১)
হযরত আবু তালিব (রাঃ) দানশীল, পরোপকার ও জনহিতকর কাজে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। এ কারণেই হযরত আব্দুল মুত্তালিব তাঁর অনাথ নাতির লালন পালন করার জন্য আবু তালিব (রাঃ) কে মনোনীত করেছিলেন। এ সম্পর্কে ফাতিমা বিনতে আসাদ (রাঃ) বলেন, “আবু তালিব মুহাম্মাদ (সাঃ)কে আমাদের বাড়ীতে নিয়ে আসলেন। আমি তার সেবায় আত্মনিয়োগ করলাম এবং সে আমাকে ‘মা’ বলে ডাকত।” (বিহার আল আনওয়ার, খঃ ৩৫, পৃঃ ৮৩)
মহানবী (সাঃ) সর্বদা চাচা আবু তালিব-এর সাথে থাকতেন। একবার চাচা আবু তালিব কুরাইশদের শামদেশে (সিরিয়া) বাৎসরিক বাণিজ্যিক সফরে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি মহানবী (সাঃ)কে মক্কায় রেখে যাওয়ার এবং কতিপয় ব্যক্তিকে তাঁর দেখাশুনার দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু কাফেলা রওনার পূর্বমুহূর্তে মহানবী (সাঃ)-এর চোখ অশ্রুজলে সিক্ত হয়ে গেল এবং চাচা আবু তালিব-এর কাছ থেকে কিছুদিনের জন্য হলেও এ বিচ্ছেদ তাঁর কাছে অত্যন্ত কঠিন বলে মনে হলো। মহানবী (সাঃ)-এর দুঃখভারাক্রান্ত মুখমন্ডল চাচা আবু তালিব-এর অন্তরে আবেগ অনুভূতির প্রলয়ঙ্কর তুফানের সৃষ্টি করল। তিনি অবশেষে কষ্ট সংবরণ করে হলেও মহানবী (সাঃ)-কে নিজের সাথে নিলেন। এই সময় মহানবী (সাঃ) এর বয়স ছিল বার বছর। (দীওয়ানে আবু তালিব, পৃঃ ৩৩)
কুরাইশ নেতৃবর্গের একটি উচ্চ পর্যায়ের পরিষদবর্গ এক অঙ্গীকার পত্র বা চুক্তিনামা স্বাক্ষর করে তা কাবাগৃহের অভ্যন্তরে ঝুলিয়ে রাখে এবং মহানবী (সাঃ) ও তাঁর অনুসারীদেরকে অর্থনৈতিক, ক্রয় বিক্রয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও বৈবাহিকসহ সকল সম্পর্ক বয়কটের ঘোষণা করেন। মহানবী (সাঃ)-এর একমাত্র সমর্থক ও পৃষ্ঠপোষক তাঁর পিতৃব্য হযরত আবু তালিব (রাঃ) তাঁর সকল আত্মীয়, স্বজন ও বনি হাশিম বংশের প্রতি মহানবী (সাঃ) কে সাহায্য করার আহ্বান জানান। তিনি বনি হাশিমের সবাইকে পবিত্র মক্কা নগরীর বাইরে একটি পার্বত্য উপত্যকায় অবস্থান গ্রহণ করার নির্দেশ দিলে তাঁরা সবাই সেখানে অবস্থান গ্রহণ করেন।
এই উপত্যকাটি ‘শোবে আবুতালিব’ বা আবু তালিবের উপত্যকা নামে প্রসিদ্ধ। সেখানে তাঁদের অধিকাংশ সময় অতিবাহিত হয়েছে অনাহারে ও অর্ধাহারে। এমনকি অনেক সময় পাহাড়ী গাছ গাছড়ার ফলমূল, পত্র ও পল্লব ইত্যাদি আহার করে জীবন ধারণ করতে হয়েছে, তাও বাধামুক্ত ছিল না। যিনি ছিলেন আরবের অবিসংবাদিত নেতা, খানায়ে কা’বার কর্তৃত্ব ছিল যাঁর হাতে; সব হারিয়ে সমাজচ্যুত হলেন ইসলামের জন্য।
মহানবী (সাঃ), হযরত আবু তালিব (রাঃ) ও হযরত খাদিজা (রাঃ) অবরোধ চলাকালীন সময়ে তাঁদের সকল সম্পদ ব্যয় করে ফেলেছিলেন। এই বয়কট সময়কালীন সময়ে কোরাইশদের কিছু ব্যক্তি বনি হাশিম বংশের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনের কারণে অতিগোপনে শোবে আবুতালিবে অবস্থানকারী মুসলমানদেরকে খাদ্যসহ কিনা কাটার সহযোগিতা করতেন। মহানবী (সাঃ)-এর নবুওয়াতের দশম বর্ষের রজব মাসের মাঝামাঝিতে এ অবরোধের অবসান হয়। এ অবরোধ পুরো তিন বছর স্থায়ী হয়েছিলো।
হযরত আবু তালিব (রাঃ) এর ইন্তেকালঃ হিজরতের তিন বৎসর পূর্বে, আশি বছর বয়সে হযরত আবু তালিব (রা) মক্কা নগরীতে ইন্তেকাল করেন। এই দিন মহানবী (সাঃ) তাঁর একমাত্র পৃষ্ঠপোষক ও প্রতিরক্ষা বিধায়ককে হারান। যিনি তাঁকে ৮ বছর বয়স থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত পৃষ্ঠপোষকতা দান ও রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পতঙ্গের মতো তাঁর অস্তিত্বে প্রদীপের চারপাশে ঘুরেছে। মহানবী (সাঃ)-এর আয় উপার্জনের সক্ষম হওয়া পর্যন্ত তিনি মহানবী (সাঃ)-এর যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করেছেন এবং তাঁকে তাঁর নিজ সন্তানের উপরও অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। রাসুল (সাঃ) এবং হযরত আলী (আঃ), হযরত আবু তালিব (রাঃ) এর মৃতদেহের গোসল দান, কাফন পরানো, জানাযার নামায পড়ানো, দাফন করা ইত্যাদি অনুষ্ঠানাদি অত্যন্ত আন্তরিকভাবে ইসলামী নিয়মে সুসম্পন্ন করেছেন। দাফন কাজ সমাধা করে মহানবী (সাঃ) মহান আল্লাহর কাছে যে দোয়া করেছিলেন তা হলো, “হে আল্লাহ! আমার চাচা আবু তালিবের প্রতি তোমার করুণা বর্ষণ করো। যিনি আমাকে লালন পালন করেছেন, শক্রর হাত থেকে রক্ষা করেছেন, সর্বদা আমাকে ছায়াদান করেছেন। এখন আর আমার এমন সাহায্যকারী অভিভাবক নেই। এখন যার যেমন ইচ্ছা আমার সাথে আচরণ করবে। হে আল্লাহ! তোমার কাছে জানাই আমার দূর্বলতা ও অক্ষমতার ফরিয়াদ, আমার প্রতি বর্ষণ করো তোমার করুণা কৃপা।” (তারীখুল খামীস, পৃঃ ৩০১, সীরাতুল হালবিয়্যাহ, ৩য় খন্ড, পৃঃ ৪৭)
চাচা আবু তালিব (রাঃ)-এর ইন্তেকালের পর থেকে প্রায়ই মহানবী (সাঃ)-কে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত দেখা যেতো। প্রায়শঃই তিনি বলতেন, “যতদিন আমার চাচা আবু তালিব জীবিত ছিলেন ততদিন কেউ আমাকে উত্যক্ত করতে পারেনি। তাঁর মৃত্যু আমার জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।” (সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ, ১ম খন্ড, প্রঃ ১২ ইঃ ফাঃ ঢাকা)
মৃত্যুকালে হযরত আবু তালিব (রাঃ)-এর অসিয়ত ছিল, “হে আমার আত্মীয়গণ! মুহাম্মদের দলের বন্ধু ও সমর্থক হয়ে যাও। মহান আল্লাহর শপথ, যে কেউ তাঁর অনুসরণ করবে, তাঁর পথে চলবে, সে সুপথপ্রাপ্ত ও সৌভাগ্যমন্ডিত হবে। আমার জীবন যদি অবশিষ্ট থাকত এবং আমার মৃত্যু যদি পিছিয়ে যেত তাহলে আমি তাঁর নিকট থেকে সব ধরনের বিপদাপদ ও তিক্ত ঘটনা প্রতিহত করতাম এবং তাঁকে রক্ষা করতাম।” (সীরাতে হালাবী, ১ম খন্ড, পৃঃ ৩৯০, তারিখে খামীস, ১ম খন্ড, পৃঃ ৩৩৯)
সূত্র : আল-হাসানাইন#####