হিজাব নারীর মর্যাদা ও ব্যক্তিত্ব রক্ষায় সহায়ক। নগ্নতা ও অতিরিক্ত সাজ-সজ্জার চাপ সমাজে নারীকে একটি পণ্য বা খেলনা হিসেবে দাঁড় করায়। এ ধরনের সমাজে নারীর জ্ঞান, নৈতিকতা ও ক্ষমতা উপেক্ষিত হয়, এবং কেবল তার সৌন্দর্য ও প্রদর্শনীই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়।
পশ্চিমা সমাজে বা ইসলামের পূর্ববর্তী যুগে, যারা সর্বাধিক খ্যাতি ও অর্থ উপার্জন করতেন, তারা মূলত সেসব নারী যাদের চরিত্রহীন ও আত্মপ্রকাশমূলক জীবনযাপন করতেন। ইসলামী বিপ্লবের পরে, নারীরা আবার তাদের মর্যাদা ফিরে পেয়েছেন এবং হিজাবের সাথে সক্রিয় সামাজিক ও যুদ্ধক্ষেত্রের কাজেও অংশগ্রহণ করেছেন।
গ্রীষ্মের তাপ কোনো অজুহাত নয়
হিজাব বিরোধীরা প্রায়শই গ্রীষ্মের তাপকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করে, প্রায় ১৪০০ বছর ধরে মুসলিম ও অমুসলিম নারীরা গরমে হিজাব মেনে চলেছেন। এটি কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও অসহ্য নয়, এবং কোনো যৌক্তিক কারণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। পশ্চিম এশিয়ার কৃষিক্ষেত্রেও নারীরা কঠোর গরমে কাজ করলেও হিজাব বজায় রেখেছেন। এভাবে, হিজাবের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব প্রমাণিত হয়—নারীর নিরাপত্তা, পারিবারিক স্থিতিশীলতা, মর্যাদা এবং নৈতিকতার রক্ষা।