ইমাম হাদীর(আ.) দৃষ্টিতে হারাম সম্পর্দের কোন মূল্য নেই এবং তাতে কোন বরকতও নেই। হারাম সম্পদ থেকে দান করলে বা সম্পত্তি রেখে গেলে তা কেবল জাহান্নামে যাওয়ার ওসিলা বা মাধ্যম হবে।
মুসলমানদের জন্য একটি বড় দায়িত্ব হচ্ছে তারা সর্বদা হালালভাবে জীবন-যাপন করবে। কেউ যিদ হারাম খায় তাহলে তার দুনিয়ার জীবনে কোন বরকত থাকবে না এবং আখিরাতেও তার জন্য জাহান্নামের আজাব বয়ে আনবে।
ইমাম আলী নাকী আল হাদি(আ.) বলেছেন: হারাম সম্পদের কোন শূল্য নেই, আর তা বৃদ্ধি পেলেও তাতে কোন বরকত নেই। তা দান করলে সওয়াব নেই, তা গচ্ছিত রাখলে জাহান্নামের আজাব ডেকে আনবে।
পবিত্র কোরআনে এ সম্পর্কে বর্নিত হয়েছে:
হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে একে অপরের ধন-সম্পদ গ্রাস কর না; তবে (হ্যাঁ) তোমাদের পারস্পরিক সম্মতিতে কারবার হলে (এবং তাতে একে অপরের সম্পদ থাকলে) ভিন্ন কথা এবং তোমরা নিজেদের হত্যা কর না ; এবং নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের (অবস্থার) প্রতি পরম করুণাময়।
হারাম খেলে তার আকিদা নষ্ট হয়ে যায় এবং অন্তর মরে যায়। তারা আর ভাল কথঅ শুনতে পারে না। আশুরার দিন ইমাম হুসাইন(আ.) তার বিরোধিদেরকে বলে ছিলেন তোমরা যে আমার কথা শুনতে পাচ্ছ না এর কারণ হচ্ছে তোমাদের উদরসমূহ হারামে ভরে গেছে।
ইমাম মাহদী(আ.) বলেছেন:[ যাদের অন্তর মরে গেছে তাদের কাছে সত্যের বাণী পৌছায় না এবং হিকতম পৌছায় না।
