হারামের সাথে মিশ্রিত হালাল সম্পদ
মাসআলা (১১৯২) : যে ব্যক্তি তার সম্পদে হারাম সম্পদ থাকার ব্যাপারে ইয়াকীন (নিশ্চিত বিশ^াস) পোষণ করে, এমতাবস্থায় সে যদি উক্ত হারাম অংশের সঠিক পরিমাণ জ্ঞাত না থাকে এবং তার মালিকাকেও না চিনে, তাহলে উক্ত সম্পদকে হালাল করার উপায় হচ্ছে তার ঐ সম্পদের খুমস পরিশোধ করা| কিন্তু যদি হালাল সম্পদের সাথে হারাম সম্পদ মিশে যাওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করে, তাহলে তার স্কন্ধে কোনো দায় নেই|
মাসআলা (১১৯৩) : যে ব্যক্তি এমন পরিবারের সাথে বসবাস করে যারা খুমস ও যাকাত প্রদানকারী নয় এবং যাদের সম্পদ সুদ মিশ্রিত, সে যতক্ষণ না পর্যন্ত এসব সম্পদ হারাম হওয়ার ব্যাপারে ইয়াকীন অর্জন করবে, ততক্ষণ তা ব্যবহার করতে পারবে| (এটা ঠিক যে তার ইয়াকীন করেছে পরিবারটি খুমস ও যাকাত প্রদানকারী নয় এবং তাদের সম্পদে সুদের টাকা মিশে রয়েছে, কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে, সে যে সম্পদ খরচ করছে তা অবশ্যম্ভাবীভাবে হারাম)| অবশ্য সে যে সম্পদ খরচ করছে তা হারাম হওয়ার ব্যাপারে যদি তার ইয়াকীন থাকে, তাহলে তা ব্যবহার করা তার জন্য জায়েয নয়| যদি না পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবংতাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা তার জন্য কষ্টদায়ক হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে তাদের হারাম মিশ্রিত হালাল সম্পদ ব্যবহার করা তার জন্য দূষণীয় নয়| তবে সে অন্যদের ঐ সব সম্পদের জন্য দায়বদ্ধ থাকবে যা ব্যবহার সম্পদের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে|
সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম বই থেকে সংগ্রহীত
হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী – এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত
