যখন আমরা কোরআনী যুবসমাজ শব্দটি ব্যবহার করি, তখন স্বাভাবিকভাবে তা এ বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে যে, আমরা চাই কোরআনভিত্তিক যুবসমাজ গড়তে। আর এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মুসলিম যুবসমাজের উপর অত্যাবশ্যকীয় দায়িত্ব হচ্ছে পবিত্র কোরআনের মহান শিক্ষার সাথে সুগভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা। অবশ্য, এ সম্পর্ক কেবল তাত্তি¡ক হলেই চলবে না, আদর্শকে জীবনের প্রত্যেকটি বরং কোরআনের শিক্ষা ও আদর্শকে পদক্ষেপে অত্যন্ত সু²ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের প্রাণপ্রিয় যুবসমাজ যদি আল্লাহ নির্দেশিত পথে পরিচালিত হয়, তাহলে তারাও কোরআন অবতীর্ণের সময়কার যুবসমাজ তথা ইসলামের প্রাথমিক যুগের ঈমানী চেতনায় উদ্দীপ্ত যুবসমাজের আদর্শ পুনরুজ্জীবনে সক্ষম হবে; পবিত্র কোরআনের সুমহান শিক্ষা ও আদর্শ ছিল যুবসমাজের প্রধান চালিকা শক্তি। বস্তুতঃপক্ষে মুসলিম যুবসমাজকে কোরআনের সুমহান শিক্ষা নিজেদের জীবনে বাস্তবায়নে আত্মনিয়োগ এবং সর্বাবস্থায় কোরআনের সাথে সুগভীর সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। এক্ষেত্রে তারা নবীকুলের শিরোমনি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে সর্বোত্তম নমুনা হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। যার স্বভাব চরিত্র, চিন্তা-চেতনাসহ সবকিছুই ছিল পবিত্র কোরআনের বাস্তব প্রতিচ্ছবিস্বরূপ। অবশ্য, কেবলমাত্র যুবসমাজই নয়, বরং আমাদের সবাইকে কোরআনের আদর্শভিত্তিক জীবন গড়ে তোলা একান্ত অপরিহার্য। কেননা, অন্যরা আমাদের থেকে কোরআনভিত্তিক জীবন ব্যবস্থারই প্রত্যাশা করে থাকে