নামাযের অধিকার

নামাযের অধিকার

নামাযের অধিকার হচ্ছে, তুমি জানবে যে, সেটি হচ্ছে মহান আল্লাহর দরবারে প্রবেশের কারণ এবং নামাযরত অবস্থায় তুমি মহান আল্লাহর সম্মুখে দণ্ডায়মান। যখন তুমি এটা জানতে পারবে তখন তুমি নামাযে এমনভাবে দণ্ডায়মান হতে পারবে যেভাবে একজন হীন, লাঞ্ছিত, নগণ্য, একাগ্রচিত্ত, উদ্বিগ্ন, আশাবাদী, ভীত এবং অসহায় ব্যক্তি কাতরভাবে তার মর্যাদা রক্ষার জন্যে পূর্ণ স্থিরতা ও গাম্ভীর্য বজায় রেখে তার মনিবের সম্মুখে দণ্ডায়মান হয়। আর তখনই নামাযকে অন্তর থেকে গ্রহণ করতে পারবে। একে (নামায) এর সমস্ত বিধিবিধান ও অধিকারসহ প্রতিষ্ঠা কর!

পবিত্র কোরআন বলছে:  অর্থাৎ নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে।) ( সূরা: আনকাবুত, ৪৫তম আয়াত )

আল্লাহর রসুল (সা.) বলেন: নামায মুমিনের নূর বা জ্যোতিস্বরূপ।

আল্লাহর রসুল (সা.) বলেন: দ্বীনের ক্ষেত্রে নামাযের স্থান সেইরূপ, যেরূপ মাথার স্থান শরীরে।

ইমাম সাদিক (আ.) বলেন: (কিয়ামতে) সর্বপ্রথম যে জিনিস সম্পর্কে বান্দাকে জিজ্ঞেস করা হবে তা হল নামায। যদি নামায গৃহীত হয় তবে অন্যান্য আমলও গৃহীত হবে। আর যদি নামায অগ্রাহ্য হয় তবে অন্যান্য আমলও অগ্রাহ্য হবে।

সূত্র : ( ইমাম সাজ্জাদ (আ.)-এর রিসালাতুল হুকুক (অধিকার বিষয়ক সন্দর্ভ )

Related posts

তাত্ত্বিক ভিত্তিসমূহ

ইসলামি শিষ্টাচার: ছোটদের স্নেহ ও বড়দের প্রতি সম্মান

ইমাম রেযা’র (আ.) জ্ঞানপূর্ণ ব্যক্তিত্ব

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More