মসজিদে যাওয়ার উপকারিতা

ইমাম হাসান (আ.) বলেন,

وَ قَالَ ع مَنْ أَدَامَ الِاخْتِلَافَ إِلَى الْمَسْجِدِ أَصَابَ إِحْدَى ثَمَانٍ آيَةً مُحْكَمَةً وَ أَخاً مُسْتَفَاداً وَ عِلْماً مُسْتَطْرَفاً وَ رَحْمَةً مُنْتَظَرَةً وَ كَلِمَةً تَدُلُّهُ عَلَى الْهُدَى أَوْ تَرُدُّهُ عَنْ رَدًى وَ تَرْكَ الذُّنُوبِ حَيَاءً أَوْ خَشْيَةً.

অর্থ: যে ব্যক্তি সবসময় মসজিদে যাওয়া আসা করে সে ৮টি উপকারিতার মধ্যে অন্তত পক্ষে ১টি উপকারিতা লাভ করবে। সেগুলো হলো:

১। ধর্মীয় বিষয়ে সুস্পষ্ট দলীল পাবে,
২। এমন বন্ধুর খোঁজ পাবে যার থেকে সে উপকৃত হবে,
৩। নিত্য নতুন ও বিস্ময়কর জ্ঞান লাভ করবে,
৪। এমন রহমত লাভ করবে যা তার জন্য অপেক্ষমাণ,
৫। এমন বক্তব্য শুনতে পাবে যা তাকে সত্যপথ দেখাবে,
৬। অন্যায় পথ থেকে দূরে রাখবে,
৭। লজ্জার কারণে গুনাহ পরিত্যাগ করবে,
৮। অথবা আল্লাহর শাস্তির ভয়ে গুনাহ করা থেকে বিরত থাকবে।

[বিহারুল আনওয়ার, খন্ড- ৭৫, পৃষ্ঠা- ১০৮; তুহাফুল উকুল, পৃষ্ঠা- ২৩৫]

ইরানের হাওজায়ে ইলমিয়ার প্রধান আয়াতুল্লাহ আরাফি বলেন, শিশু এবং কিশোর যারা মসজিদ (ও মসজিদের সংস্কৃতির) সাথে শুরু থেকেই সম্পৃক্ত থাকে, তারা নানা ধরনের (সামাজিক ও নৈতিক) অবক্ষয় থেকে নিরাপদ থাকে; আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে মসজিদকে আবাদ করা যাতে সব মসজিদে তিনবার জামাতে নামাজ আদায় করা যায় এবং শিয়া জনগোষ্ঠীর ভিত্তি গড়ে তুলতে মসজিদ একটি রোল মডেল হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, ইমামে যামানার গায়বাতে কোবরার (দীর্ঘ অনুপস্থিতি) যুগে, ইমাম (আ.)-এর জন্য অপেক্ষা করা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব; আমাদের জানা উচিত যে (ইমামের) অনুপস্থিতির সময়ে কৃত পূণ্যময় কাজসমূহ (তাঁর) উপস্থিতির সময়ের চেয়ে বেশি মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ।

Related posts

ইসলামি শিষ্টাচার: ছোটদের স্নেহ ও বড়দের প্রতি সম্মান

ইমাম রেযা’র (আ.) জ্ঞানপূর্ণ ব্যক্তিত্ব

প্রতিবেশীর অধিকার: সামাজিক সম্প্রীতি

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More