যদি কোন মহিলা নামাযের শেষ ওয়াক্তে মাসিক থেকে মুক্ত হয় এবং গোসল, ওজু ও নামাযের অন্যান্য পূর্ব প্রস্তুতি যেমন ঃ পোশাক সংগ্রহ করা, তা ধৌত করা ইত্যাদি সম্পাদনে সক্ষম হয় এবং এক রাকআত বা ততোধিক রাকআত নামায পড়ার সময় তার হাতে থাকে তাহলে সে যেন নামায আদায় করে নেয়। নতুবা তাকে ঐ নামাজের ক্বাজা আদায় করতে হবে।
যদি ঋতুবর্তী নারী গোসল ও ওজু করার মত সময় না পায়; কিন্তু তায়াম্মুম করলে ঐ নামাজ আদায়ের সময় পায় তাহলে ঐ নামাজ তার জন্যে ওয়াজিব নয়। কিন্তু যদি সময়ের সংকীর্ণতা ছাড়াও তার তাকলীফ বা করণীয় তায়াম্মুম হয় (যেমন, পানি যদি তার জন্যে ক্ষতিকর হয়) তবে অবশ্যই তাকে তায়াম্মুম করতে হবে ও নামায আদায় করতে হবে। (তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৭৩)
যদি ঋতুবর্তী নারী মাসিক থেকে পবিত্র হওয়ার পর সন্দেহ পোষণ করে যে নামাজের জন্যে ওয়াক্ত বাকী আছে কি নেই তাহলে তাকে অবশ্যই নামায করতে হবে। (তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৭৪)
যদি নামাজের পূর্ব-প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পর এক রাকআত নামাজ পড়ার সময় পাবে না-এ ধরনের নামাজ না পড়ে থাকে কিন্তু পরবর্তীতে বুঝতে পারলো যে নামাজের সময় ছিল তাহলে অবশ্যই তাকে ঐ নামাযের ক্বাজা আদায় করতে হবে।(তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৭৫)
সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত
