স্মর্তব্য
আত্মীয়-স্বজনের ক্ষেত্রে পিতৃ সূত্রের বা মাতৃসূত্রের আত্মীয়-স্বজন কিম্বা মৃত বা জীবিত আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। (তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৮৯)
আত্মীয়-স্বজনের জন্য এমন কোন শর্ত নেই যে তারা এক দেশের অধিবাসী হবে কিম্বা এক শহরে জীবন যাপন করবে। (উরওয়াতুল উছকা, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৩৩২, মাঃ ২)
প্রশ্ন ঃ যে সব ক্ষেত্রে একজন স্ত্রীলোকের করণীয় হল তার আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি লক্ষ করা যদি সেক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজনরা মাসিক মেয়াদকালের অধিকারীনি না থাকে অথবা নিজ আত্মীয়-স্বজনদের নাগালে না পায় কিম্বা আত্মীয়-স্বজনই না থাকে তাহলে হুকুম কি?
উত্তর ঃ এহতিয়াতের ভিত্তিতে ৭দিন হায়েয আর বাদবাকীকে ইস্তিহাযা হিসেবে ধার্য্য করবে। (ইস্তিফতা)
মুযতারিবা মহিলা যদি দশ দিনের বেশি রক্তস্রাব দেখে যায় কিছুদিন হায়েযের লক্ষণসম্পন্ন আর কিছুদিন ইস্তিহাযার লক্ষণসম্পন্ন হয় সেক্ষেত্রে যদি যে রক্তে হায়েযের লক্ষণ বিদ্যমান তা তিন দিনের কম কিম্বা ১০ দিনের বেশী না হয় তাহলে সবটাকেই হায়েয ধার্য্য করতে হবে।
আর যদি সে রক্তে হায়েযের লক্ষণ বিদ্যমান তা ৩ দিনের কম অথবা ১০ দিনের বেশি হয় তাহলে সেটাকেই হায়েয ধার্য্য করবে আর ৭ দিন পর্যন্ত এহতিয়াতে ওয়াজিবের ভিত্তিতে ইস্তিহাযার করণীয়সমূহ পালন করবে এবং যেসব কাজ হায়েয ব্যক্তির জন্য নিষিদ্ধ সেগুলোকে বর্জন করবে। তদ্রুপভাবে হায়েযের লক্ষণসম্পন্ন রক্তস্রাব থেকে ১০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বে যদি এমন কোন রক্ত দেখে যার মধ্যে হায়েযের লক্ষণ বর্তমান; উদাহরণস্বরূপ, পাঁচ দিন কালো রক্ত আর ৯ দিন হলুদ রক্ত দেখার পর পুনরায় ৫ দিন কালো রক্ত দেখে তাহলে প্রথম রক্তস্রাবকে হায়েয বলে ধার্য্য করবে এবং ৭ দিন পর্যন্ত বাদবাকী দিনগুলোতে পূর্বে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী মেনে চলবে। (তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৯৫)
সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত
