হযরত আলী মহানবীর আস্থাভাজন ছিলেন

মহানবী (সা.) স্বয়ং কোরাইশদের আস্থাভাজন ছিলেন এবং সকল আমানতসমূহ তাঁর নিকট ছিল নিরাপদ। কিন্তু যখন মদীনায় হিজরত করতে বাধ্য হলেন ,তখন তাঁর গোত্র ও গৃহে আলী (আ.) অপেক্ষা বিশ্বস্ত আর কাউকে পাননি। সুতরাং তিনি তাঁকে স্থলাভিষিক্ত করলেন ,যাতে মানুষের আমানত সঠিকরূপে প্রকৃত মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিতে পারেন। আর সেই সাথে ঋণ পরিশোধ করতে পারেন এবং তাঁর (মহানবীর) কন্যা ও নারীগণকে মদীনায় পৌঁছাতে পারেন…।

আলী (আ.) ,এ সকল গুরুত্বপূর্ণ কর্মসমূহ সম্পাদনের পর তাঁর মাতা ফাতেমা ,মহানবীর কন্যা ফাতেমা এবং যুবাইরের কন্যা ফাতেমা ও অন্যান্যদেরকে নিয়ে মদীনার দিকে রওয়ানা করলেন। পথিমধ্যে মক্কার কাফেরদের মধ্যে আটজনের সাথে দেখা হলো। তারা তাঁরা যাত্রা পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করল। আলী (আ.) তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতঃ মদীনার নিকটবর্তী স্থানে যেখানে মহানবী তাঁর জন্য অপেক্ষায় ছিলেন পৌঁছলেন। মহানবী (সা.) তাঁকে নিয়ে মদীনায় পৌঁছলেন।

Related posts

প্রতিবেশীর অধিকার: সামাজিক সম্প্রীতি

পরোপকার ও সহমর্মিতা: মানবিকতার মূল ভিত্তি ও ঈমানের দাবি

নম্রতা ও বিনয়: আত্মিক প্রশান্তির চাবিকাঠি

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Read More