হযরত ইমাম সাদিক্ (আ.) বলেন: হযরত ইব্রাহীম (আ.) আল্লাহর বন্ধুত্বের মর্যাদায় পৌঁছার কারণ এটাই ছিল যে, তিনি মাটিতে প্রচুর সেজদা করতেন। ( বিহার, ৮৫তম খন্ড, পৃ. ১৬৩ )
যে রাতটি নির্ধারণ করা হয়েছিল যে, হযরত আলী (আ.) রসুলে আকরামের (সা.) স্থানে বা বিছানায় ঘুমাবেন যাতে তিনি (সা.) দুশমনদের তরবারি হতে নিরাপত্তা লাভ করেন, সে রাতে তিনি আল্লাহর রসুলকে প্রশ্ন করলেন: “আমি যদি এ কাজটি আঞ্জাম দেই তবে কি আপনার জীবন নিরাপদে থাকবে?” যখন রসুল হ্যাঁ বোধক উত্তর দিলেন তখন হযরত আলী (আ.) একটি মুচকি হাসি দিলেন এবং এ মহান তাওফিক অর্জনের জন্যে আল্লাহর নিকট সেজদায়ে শোকর আদায় করলেন। ( ওয়াফী, ৮ম খন্ড, পৃ. ৮৮২ )
মুশরিকদের নেতা আবু জাহলের কর্তিত মাথা লোকেরা আল্লাহর রসুলের (সা.) নিকট নিয়ে এলে তিনি সেজদায়ে শোকর আদায় করেছিলেন।
ইমাম সাজ্জাদ (আ.) প্রত্যেক নামাযান্তে, তারই শুকরানা আদায় করার জন্যে সেজদায়ে শোকর করতেন। তাঁর নিকট হতে যখন কোনো বিপদ দূর হয়ে যেত অথবা তিনি দু’জন মুসলমানের মধ্যে সমঝোতা বিধান করতেন তখন তার কৃতজ্ঞতামূলক সেজদা করতেন। তিনি স্বীয় সেজদাকে এতটাই দীর্ঘ করতেন যে, ঘামে ডুবে যেতেন।
508
