খনিজ সম্পদের খুমস
মাসআলা (১১৯০) : যে খনিজ দ্রব্যাদি কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের পরস্পর অংশগ্রহণের মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়, তাতে খুমস ওয়াজিব| তবে শর্ত হচ্ছে ঐ ব্যক্তি যে জিনিসটি উত্তোলন করেছে অথবা পরস্পর অংশগ্রহণের মাধ্যমে উত্তোলন করে যে ভাগ পেয়েছে, তার মূল্য উত্তোলন ও পরিশোধন খরচ বাদ দেওয়ার পর বিশ দিনার পরিমাণ স্বর্ণ অথবা দুইশ’ দিরহাম পরিমাণ রৌপ্যের সমান কিংবা এদুয়ের কোনো একটির মূল্যের সমপরিমাণ থাকে|
মাসআলা (১১৯১) : খনিজ সম্পদের উপর খুমস ওয়াজিব হওয়ার শর্তাবলির মধ্যে একটি শর্ত হলো কোনো ব্যক্তি অথবা ব্যক্তিবর্গ পরস্পর অংশগ্রহণের মাধ্যমে উক্ত দ্রব্যকে উত্তোলন করবে| এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে প্রত্যেকের ভাগ যেন নিসাব পরিমাণে পৌঁছায় এবং যা তারা উত্তোলন করেছে সেটা তাদেরই মালিকানাভুক্ত হয়| আর রাষ্ট্র যেসব জিনিস উত্তোলন করে থাকে, যেহেতু সেগুলো কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের মালিকানা নয়, বরং খাত ওয়াবি মালিকানা থাকে, একারণে তাতে খুমস ওয়াজিব হওয়ার শর্ত বিদ্যমান নেই| ফলে সরকার ও রাষ্ট্রের উপর খুমস ওয়াজিব হওয়ার অবকাশ থাকে না|
সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম বই থেকে সংগ্রহীত
হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী – এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত
