(৩) যে স্ত্রীলোকের পর পর দু’মাসে তিনদিন বা তার বেশি সময় ধরে রক্তস্রাব হয় এবং একদিন বা তার বেশি রক্ত থেকে পাক হয়ে যায় অতঃপর পুনরায় রক্তস্রাব শুরু হয় আর প্রথম মাসের রক্তস্রাবের সময়ের সাথে দ্বিতীয় মাসের রক্তস্রাবের পার্থক্য থাকে আর যদি যে দিনগলোতে রক্তস্রাব হয়েছে এবং যে দিনগুলোতে মাঝখানে পাক থেকেছে সব মিলে ১০ দিনের বেশি না হয় আর দিনের সংখ্যাও একই পরিমাণের থাকে তাহলে যে দিনগুলোতে রক্তস্রাব ঘটেছে আর মাঝে যে দিনগলো পাক থেকেছে এসবগুলো দিনই হবে তার মাসিক ঋতুকাল| আর উভয় মাসে মাঝে যে ক’দিন সে পাক থেকেছে সেটা একরূপ হওয়া আবশ্যক নয়| উদাহরণ¯ স্বরুপ যদি প্রথম মাসের প্রথম দিন থেকে তৃতীয় দিন পর্যন্ত তার রক্তস্রাব ঘটে এবং দুই দিন পাক থেকে পুনরায় তিন দিন রক্তস্রাব হয় আর দ্বিতীয় মাসের ১১ থেকে ১৩তম দিন পর্যন্ত রক্তস্রাব হয় তারপর দুই দিন বা তার বেশি সময়ে রক্ত বন্ধ থাকে এবং তারপর পুনরায় রক্ত আসে যা সর্বমোট ৮ দিনের বেশি নয় তাহলে তার মাসিক ঋতুকাল হবে ৮ দিন| (তৌযিহুল মাসায়েল, মাঃ ৪৯২)
এখানে মাস বলতে নেই দনি থেকেই বোঝানো হচ্ছে যেদিন থেকে রক্তস্রাব শুরু হয় এবং ৩০ দিন পর্যন্ত চাই সেটা মাসের মাঝখান থেকে হোক| (উরওয়অতুল উছকা, খঃ ১, পৃঃ ৩৩৩, মাঃ ২)
(ঘ) প্রশ্ন : এই যে বলা হয় যে স্ত্রীলোকের মাসিক ঋতুকাল ওয়াক্তীয়া হিসাবে তার ঋতুকালের মেয়াদ হবে একরকম| অনুগ্রহ করে বলবেন যে, শুরুর দিনটি যেমন মাসের ২১ তারিখে এক রকম হলেই যথেষ্ট নাকি শুরুর ক্ষণটাও একরূপ হওয়ার শর্ত রয়েছে যেমন ঐ দিনের সকাল ৮ টায়?
উত্তর : ঘণ্টার দিক থেকে বরাবর হওয়ার শর্ত নেই| (ইস্তিফতা)
(ঙ) প্রশ্ন : বলা হয়েছে সেই স্ত্রীলোকের মাসিক ঋতুকাল হবে আদাদিয়া হিসাবের যার হায়েযের দিনগুলোর সংখ্যা একরূপ হবে| এমতাবস্থায় জানাবেন যে, নির্দ্দিষ্ট দিনের বেলায় পাক হলেই কি আদাদিয়া ঋতুকালের অধিকারী হওয়ার জন্যে যথেষ্ট হবে নাকি সুক্ষ্মভাবে সে দিনের ঘণ্টার সাথেও মিলতে হবে এমন কোন শর্ত রয়েছে?
উত্তর :ঘণ্টার সাথে বরাবর হওয়ার কোন শর্ত নেই| (ইস্তিফতা)
সুত্রঃ আহকামে মুমিনাত বই থেকে সংগ্রহীত
