ইসলামে আত্মশুদ্ধির কর্মপন্থা

ড. এম আব্দুল কুদ্দুস বাদশা

by Syed Yesin Mehedi

মহান আল্লাহ্ পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন: “তিনিই উম্মীদের মধ্যে তাদেরই একজনকে রাসূল করে পাঠিয়েছেন, যে তাদের সামনে তাঁর আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করবে, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবে এবং তাদেরকে কিতাব ও হেকমতের শিক্ষা দেবে, যদিও তারা এর আগে সুস্পষ্ট গোমরাহীতে নিপতিত ছিল।” (জুমআহ্: ২) এই আয়াতে কারিমায় রাসুলুল্লাহ্ (সা.) এর প্রধান তিনটি দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যার মধ্যে দ্বিতীয়টি হচ্ছে মানুষদেরকে “পরিশুদ্ধ ও পবিত্র” করা।
মানুষ মাটির তৈরি বটে। কিন্তু পথভ্রষ্ট পাপী মানুষ কখনো কখনো পাথরের চাইতেও কঠিন হয়ে যায়। পাথর তবুও নরম হয়, তার বুক ফেটে প্রবাহিত হয় নির্ঝরিণী। কিন্তু পাপে কলুষিত মানুষ পাথরকেও হার মানায়। এরকম মানুষের সংশোধন ও পরিশুদ্ধি অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, “এরপরও তোমাদের হৃদয় কঠিন হয়ে গেল, যেন পাথর কিংবা তার চেয়েও কঠিন। অথচ কোনো কোনো পাথর তো এমন যা থেকে নহর প্রবাহিত হয়, আর কিছু এরূপ যে, বিদীর্ণ হওয়ার পর তা হতে পানি নির্গত হয়, আবার কিছু এমন যা আল্লাহর ভয়ে ধ্বসে পড়ে..’ (বাকারা: ৭৪) এই আয়াত দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, পাথর কঠিন ও শক্ত হওয়া সত্ত্বেও তা থেকে উপকার পাওয়া যায়, তার মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং এক প্রকার চেতনা ও অনুভূতি শক্তি তার মধ্যেও বিদ্যমান থাকে। কিন্তু আয়াতে আল্লাহ্ ইহুদীদেরকে বলছেন, বিগত মুজিযাসমূহ এবং মৃতকে পুনরায় জীবিত করার মতো জলজ্যান্ত ঘটনা দেখার পরও তোমাদের অন্তরে আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তনের উৎসাহ এবং তাওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করার আগ্রহ সৃষ্টি না হয়ে উলটো তোমাদের হৃদয় পাথরের মত কঠিন বরং তার চেয়েও শক্ত হয়ে গেল! আর হৃদয় কঠিন হয়ে যাওয়া ব্যক্তি ও উম্মতের জন্য বড়ই ক্ষতিকর। অন্তর কঠিন হওয়া এই কথারই নিদর্শন যে, সেই অন্তর থেকে প্রভাব-প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার যোগ্যতা এবং সত্যকে গ্রহণ করার ক্ষমতা নিঃশেষ হয়ে গেছে। এরপর তার সংশোধনের আশা কম, বরং সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়ারই আশঙ্কা বেশী থাকে।
একারণে মহানবী (সা.) এর অন্যতম দায়িত্ব ‘মুসলমানরেক পরিশুদ্ধ ও পবিত্র করা’। বুঝা যাচ্ছে মু’মিনের আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব কত বেশি। পয়গাম্বর (সা.) সেই কঠিন কাজটি সাধন করার জন্য এসেছেন। তাই তিনি কীভাবে মানুষদের আত্মশুদ্ধির পথ বাৎলে দিয়েছেন তা জানা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। এই প্রবন্ধে আমরা সংক্ষেপে সেই বিষয়টিই আলোচনা করবো।
মানুষের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ তথা নিজেকে নজরদারীর অধীনে রাখার পন্থাটি সম্পূর্ণরূপে “আত্ম-প্রশিক্ষণ” তথা তরবিয়তের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। নিজের উপর নজরদারী বলতে বোঝায় যে, একজন ব্যক্তি স্বীকৃত নিয়ম-কানুনের প্রতি লক্ষ্য রেখে তার সজাগতা ও পূর্ণ সতর্কতার মাধ্যমে চেষ্টা করবে যাতে নৈতিক মূল্যবোধের পরিপন্থী আচরণ তার জীবনের ত্রিসীমায় প্রবেশ না করে এবং তার নৈতিক গুণগুলোকে যেন বিনষ্ট করে না দেয়। আত্মশুদ্ধি ও আত্ম-গঠন হচ্ছে মানুষের নিজের সাথে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, যা ইসলামী টেক্সটগুলিতে বিশেষ গুরুত্বের সাথে বর্ণিত হয়েছে। আমিরুল মু’মিনীন হযরত আলী (আ.) মালিক আশতারকে লেখা পত্রে লিখেছেন: “আমি এই অঙ্গীকারনামায় তোমাকে যা নির্দেশ দিয়েছি তা অনুসরণ করার ব্যাপারে তুমি নিজের নফ্সের সাথে জিহাদ কর। এই অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে আমি তোমার উপর আমার হুজ্জাত পূর্ণ করলাম, যাতে তোমার নফ্স্ যখন কামনা-বাসনার দিকে দ্রুত ধাবিত হবে, তখন তোমার কোনো অজুহাত না থাকে” (নাহজুল বালাগা, পত্র ৫৩)। এছাড়াও ইমাম জয়নুল আবেদীন (আ.) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি শাহাদাতের সময় তাঁর সন্তানবর্গ ও শিয়াদের উদ্দেশে এই বলে উপদেশ দিয়েছেন: “আল্লাহর কসম, আল্লাহকে ভয় কর, নিজের নফ্সের সাথে জিহাদ করো। কারণ, নফ্সই তোমাদের সবচেয়ে ঘোর শত্র। যেমনটা মহান আল্লাহ বলেছেন: “নিশ্চয়ই “নফ্সে আম্মারা” সর্বদা মন্দের আদেশ দেয়, সেই ব্যক্তি ছাড়া যাকে আল্লাহ্ অনুগ্রহ ও দয়া করেন।” এবং নিশ্চিতভাবে সমস্ত পাপের গোড়া হলো নফ্সানি কামনা-বাসনার প্রতি সাড়া দেওয়া। (নূরী, মুস্তাদরাকুল ওয়াসায়িল, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২৭০)
ইসলামে তরবিয়তের পদ্ধতি
ইসলামের নৈতিক ব্যবস্থার কাঠামোয় আত্মশুদ্ধি ও আত্মগঠনের জন্য বিভিন্ন কর্মপন্থা নির্দেশ করা হয়েছে। এখানে সেগুলোর মধ্যে থেকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ৩টি কর্মপন্থার বিবরণ তুলে ধরা হলো:
এক. ইয়াকজা (জাগরণ) ও তাওবা
এই পর্যায়ে মানুষ গাফিলতির ঘুম থেকে জাগ্রত হয় এবং নিজের দিকে দৃষ্টিপাত করে। সাধারণত সে তার আমলনামাকে নৈতিক দোষ-ত্রুটির পঙ্কিলতা দ্বারা কলুষিত দেখতে পায়। যদি এই দোষগুলি অপসারিত না হয়, তবে অন্যায় ও পাপ করার জন্য সে আরও বেশি প্রস্তুতি অর্জন করবে। তাই অতীতের ভুলের জন্য তাওবা করা উচিত। কারণ তাওবা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে আত্ম-নিয়ন্ত্রণের পূর্বশর্ত ও ভূমিকা। ইমাম আলী (আ.) বলেছেন: “নিজের নফ্্সের সাথে জিহাদে অবতীর্ণ হও এবং তাওবাকে অগ্রাধিকার দাও যাতে তোমার প্রতিপালকের আনুগত্যের মকামে পৌঁছতে পার”। (আখলাকে ইসলামী: আজারবাইজানি ও দাইলামি, পৃষ্ঠা ২২৬) তাওবা বলতে বোঝায় অনুশোচনা ও অনুতাপের সাথে ভুল পথ ও গর্হিত কাজ থেকে প্রত্যাবর্তন, যা পবিত্রতা ও পরিশুদ্ধি অর্জনকে সম্ভব করে তোলে। তাই নিজের তরবিয়ত শুরু করার জন্য তাওবা প্রয়োজন যাতে মানবিক মর্যাদার সেই অনুভূতি ফিরে আসে। ইমাম আলী (আ.) বলেন: “তাওবা হৃদয়কে পবিত্র করে এবং পাপকে ধুয়ে ফেলে।” (গুরারুল হিকাম, পৃষ্ঠা ১৯৫) মানুষ যাতে তাওবায় আগ্রহী হয় এজন্য তাকে সেই আয়াতগুলি পাঠ করা উচিত যা মানুষকে তাওবার দিকে আহ্বান করে এবং তার জানা উচিত যে মহান আল্লাহ্র ক্ষমা ও রহমতের পরিধি অত্যন্ত সুবিস্তৃত। তাওবার পর আত্মনিয়ন্ত্রণ শুরু করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া ও নিজের সাথে শর্তারোপ করা আবশ্যক।
দুই. মুশারাতাহ্ (পরষ্পর শর্তারোপ)
মুশারাতাহ হলো এই যে, মানুষ নিজের সঙ্গে এই মর্মে অঙ্গীকার ও চুক্তি করে যে, নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে কোনোভাবেই শৈথিল্য দেখাবে না এবং মহান আল্লাহ্র নির্দেশ লঙ্ঘন করবে না। অনুরূপভাবে সে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় যে, সৎকর্মে সচেষ্ট থাকবে এবং অসৎকর্ম থেকে দূরে থাকবে। এই অঙ্গীকার ও চুক্তি তখনই কার্যকর হয় যখন প্রতিদিন তা নবায়ন করা হয়, যতক্ষণ না তা মানুষের অন্তরে ও আত্মায় নিত্যস্বভাব হিসেবে গেঁথে যায়। মুশারাতাহ্র জন্য সর্বোত্তম সময় হলো ভোরবেলা ফজরের নামাজের পর, যখন মানুষের হৃদয় অধিকতর পবিত্র ও সত্য গ্রহণে অধিকতর উর্বর থাকে।
হযরত ইমাম খোমেইনী (রহ.) এ প্রসঙ্গে বলেন: “মুশারাতাহ্ হলো এই যে, দিনের শুরুতে উদাহরণস্বরূপ নিজের সঙ্গে শর্ত করে যে, আজ সে মহান আল্লাহ্র হুকুমের বিরুদ্ধে আচরণ করবে না এবং এই বিষয়ে সে নিজের সিদ্ধান্ত স্থির করে ফেলে। আর এটা স্পষ্ট যে, একদিন বিরুদ্ধাচরণ না করা অত্যন্ত সহজ বিষয় এবং মানুষ সহজেই তা সম্পাদন করতে পারে। তুমি সংকল্প গ্রহণ কর, শর্ত আরোপ করো এবং পরীক্ষা করে দেখো কত সহজ। এমন হতে পারে যে শয়তান ও তার সৈন্যদল ‘মাউন’ তোমার কাছে এই বিষয়টিকে বিশাল করে দেখাবে, কিন্তু এটা হবে সেই অভিশপ্তের ধোঁকাসমূহের একটি। তাকে বাস্তবিকভাবে ও অন্তর থেকে অভিশাপ দাও এবং মিথ্যা কল্পনাসমূহ হৃদয় থেকে বের করে দাও এবং একদিন পরীক্ষা কর, তখন তুমি সত্যতা স্বীকার করবে।” (চেহেল হাদীস: ইমাম খোমেইনী, পৃষ্ঠা ৮)
এই মুশারতাহ চোখ, কান, লজ্জাস্থান, হাত ও পা-এর সঙ্গে হতে পারে। এ প্রসঙ্গে মোল্লা মাহ্দী নারাকী একটি সুন্দর উপমা দিয়েছেন: “জেনে রাখো, আক্ল হচ্ছে আখিরাতের পথে একজন ব্যবসায়ীর মতো, যার পুঁজি হলো আয়ুষ্কাল তথা জীবন। নফ্্সের সহায়তায় সে তা কাজে লাগায়। অতএব নফ্্স, আক্লের ব্যবসায়িক পার্টনারের মতো, যে তার সম্পদে ব্যবসা করে এবং এই ব্যবসার লাভ হলো উত্তম চরিত্র ও সৎকর্ম অর্জন, যা মানুষকে চিরস্থায়ী সুখ ও নেয়ামতের দিকে পরিচালিত করে। ক্ষতি তখনই হয় যখন তার থেকে পাপ ও ভুল-ত্রুটি সংঘটিত হয়, যা পরিণামে জাহান্নামের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিতে নিপতিত করে.. এবং এই ব্যবসার মেয়াদকাল হলো জীবন যতটা দীর্ঘ। যেমনভাবে ব্যবসায়ী প্রথমে তার পার্টনারের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও অঙ্গীকার করে এবং তারপর সব সময় তাকে সতর্ক প্রহরায় রাখে এবং শেষে তার সাথে হিসেব-নিকাশে বসে, যদি বিশ্বাসঘাতকতা, লোকসান ও পুঁজি বিনষ্ট হতে দেখে, তবে তাকে জবাবদিহি ও শাস্তির মুখোমুখি করতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে তার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও চাইতে পারে; অনুরূপভাবে নফ্সের সাথে আক্লের অংশীদারিত্বের বেলায়ও এ বিষয়গুলো মেনে চলা বাঞ্ছনীয়। (জামেউস সা-আদাত: মোল্লা মাহ্দী নারাকী, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৯৩)
তিন. মোরাকাবা (সতর্ক প্রহরা)
‘মোরাকাবা’ কথাটি আরবি ‘রাকাবা’ হতে এসেছে। এর অর্থ গর্দান। এইজন্য আরবিতে ‘রাকিব’ তাকেই বলা হয় যে গর্দান টান টান করে যাতে আশপাশের পরিস্থিতি নজরে রাখতে পারে। সূরা হুদ এর ৯৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে: ‘আমিও তোমাদের সাথে ‘রাকিব’ তথা প্রহরায় রইলাম।’ অর্থাৎ এমন প্রহরী যার কাছ থেকে কিছুই গোপন থাকে না। নীতি শাস্ত্রবিদগণের মতে, মোরাকাবা হলো মুশারাতাহ্র পর মানুষের সর্ব অবস্থা ও পরিস্থিতিতে নিজেকে সতর্ক প্রহরায় রাখা এবং খেয়াল রাখা। এটা এক প্রকার ধ্যান।
একজন মোরাকাবারত ব্যক্তি সারাক্ষণ নিজের প্রতি পর্যবেক্ষণ ও সতর্ক দৃষ্টি বজায় রাখবে। অর্থাৎ নফ্সের নাসিকা টেনে ধরে রাখা। সুলুক তথা আধ্যাত্মিক পরিভ্রমণকারী ব্যক্তির সাথে অন্যদের পার্থক্য এই মোরাকাবা’র প্রশ্নেই স্পষ্ট হয়ে যায়। কেননা, অন্যেরা কেবল পাপের সামনে স্বীয় নফ্সের প্রতি সতর্ক থাকে। কিন্তু একজন আধ্যাত্মিক সাধক সর্বক্ষণ নিজ নফ্সের প্রতি সতর্ক থাকে। ঠিক সেই দরদী মায়ের ন্যায়, যে কেবল বিপদের সময়েই তার শিশুর প্রতি খেয়াল রাখে না, বরং প্রতিটি মুহূর্তেই সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে সতর্ক থাকে যা তার শিশুর ক্ষতি করতে পারে।
লোহায় মরিচা ধরে। কিন্তু রেত দিলে তা আবার শাণিত ও চকচকে হয়ে ওঠে, দ্যুতি ছড়ায়। মানুষের দেহ মনের ঠিক একই অবস্থা। তাযকিয়া তথা আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে সে পাপ ও পঙ্কিলতার কলুষতা থেকে নিজেকে বিশুদ্ধ করতে পারে। রিপুর দাসত্ব, হিংসা, ক্রোধ, অহমিকা, আত্মম্ভিরতা, পরনিন্দা, মিথ্যাচার, চোঘলখুরী, শঠতা, গালমন্দ, অপবাদ, ঠাট্টা -বিদ্রূপ ইত্যাদি মন্দ অভ্যাসগুলো অন্তরকে কালিমালিপ্ত করে দেয়। এই আবর্জনাগুলো সাফ করে অন্তরকে অলঙ্কারে সজ্জিত করাই আত্মশুদ্ধির লক্ষ্য। বিনয়, সততা, সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততা, ত্যাগ, ক্ষমা ও সহনশীলতা হচ্ছে সেই মূল্যবান আভরণ, যা মানুষকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করে তোলে। অতএব মু’মিনের জীবনে আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব খুবই স্পষ্ট, ইসলাম তাকে এই কর্মপন্থা প্রদান করেছে। আর এ কারণেই পয়গাম্বরগণের বে’সাতের একটি অন্যতম লক্ষ্য নৈতিকতার বিস্তার ঘটানো এবং ধাপে ধাপে আত্মশুদ্ধি ও আত্মগঠনের কর্মপন্থা বাৎলে দেওয়া।

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔