ইমাম সাদিক্ (আ.) রসুলে খোদা (সা.) হতে বর্ণনা করেন যে, যখন কোনো বান্দা “সুবহান্নাল্লাহ” বলে তখন আল্লাহর আরশের নীচে যা কিছু আছে সবই তার সঙ্গে তাসবীহ পাঠ করে। আর যে ব্যক্তি এ শব্দটি বলে তাকে দশগুণ সওয়াব দান করেন। আর যখন “আল্হাম্দু লিল্লাহ্” বলে তখন আল্লাহ তায়ালা পার্থিব অনুগ্রহরাজি তার প্রতি উজাড় করে দেন যাতে সে আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করে এবং পরকালীন অনুগ্রহরাজিতে প্রবেশ করতে পারে। (ওয়াসায়েল, ৭ম খন্ড, পৃ. ১৮৭।)
কর্মগত তাসবীহ্
ইমাম সাদিক্ব (আ.) বলেন: মহান আল্লাহ স্বীয় সৃষ্টির উপর যেসব কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আবশ্যক করেছেন তার মধ্যে একটি হচ্ছে অধিক পরিমাণে যিকর করা। অতঃপর বলেন: যিকর দ্বারা আমার উদ্দেশ্য “সুব্হানিল্লাহি ওয়াল্হাম্দু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার” নয় – যদিও এটি তারই অংশ। বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে এই যে, লোকজন “যিকরুল্লাহি ইন্দা মা আহাল্লা ওয়া র্হাররামা,” অর্থাৎ প্রতিটি কাজের সময় আল্লাহকে স্মরণ করবে। যদি কোনো কাজ আল্লাহর আনুগত্যের জন্যে হয় তবে তা বাস্তবায়ন করবে। আর যদি তাঁর সীমালঙ্ঘনের জন্যে হয় তবে তা পরিত্যাগ করবে।
325
আগের পোস্ট
