পানির প্রকারভেদ ও সেগুলোর আহকাম

by Shihab Iqbal

১. মুযাফ পানি (মিশ্রিত ও ফলের রসজাতীয় পানি)

মাসআলা (৬১): মুযাফ পানি হচ্ছে এমন পানি যার উপর এককভাবে ‘পানি’ কথাটি প্রয়োগ করা সঠিক হয় না। বরং ‘পানি’ কথাটির সাথে কোনো একটি শর্ত যুক্ত করে বলতে হয়। সে পানি কোনো কিছু হতে সংগৃহীত হতে পারে, যেমন তরমুজের রস, কিংবা গোলাপ পানি ইত্যাদি। অথবা কোনো কিছুর সাথে মিশ্রিতও হতে পারে এমনভাবে যে সেটাকে আর পানি বলে না। যেমন: শররত, স্যালাইন ইত্যাদি।

মাসআলা (৬২): মুযাফ পানি কোনো অপবিত্র জিনিসকে পবিত্র করে না (অর্থাৎ পবিত্রকারী জিনিসসমূহের অন্তর্ভূক্ত নয়।)

মাসআলা (৬৩): মুযাফ পানি (ময়লা) জিনিসের সংস্পর্শে অপবিত্র হয়ে যায় (যদিও উক্ত ময়লা জিনিস সামান্যই থাকে এবং পানির বর্ণ, স্বাদ ও ঘ্রাণ বদলে নাও যায় এবং যদি মুযাফ পানির পরিমাণ কুর সমানও থাকে)

মাসআলা (৬৪): মুযাফ পানি দ্বারা ওযু ও গোসল করলে তা বাতিল।

মাসআলা (৬৫): কখনো পানিতে কিছু মেডিসিন মিশিয়ে তাকে দুধের রঙে পরিণত করা হয়। এ পানি মুযাফ পানির হুকুম গ্রহণ করবে না। কাজেই এরূপ পানি দ্বারা অপবিত্র জিনিসকে ধুয়ে ফেলা এবং ওযু ও গোসল সম্পন্ন করা যেতে পারে।

২. মুতলাক পানি (বিশুদ্ধ/সাদা পানি)

মাসআলা (৬৬): মুতলাক পানি হচ্ছে এমন পানি যার উপর অন্য কোনো শর্ত যুক্ত না করেও তাকে এককভাবে ‘পানি’ বলা সঠিক হয়। যেমন: বৃষ্টির পানি, ঝর্নার পানি ইত্যাদি।

মুতলাক পানির প্রকারভেদ

মাসআলা (৬৭): মুতলাক পানি কয়েক প্রকারের হয়। যথা: ১. আকাশ থেকে যে পানি বর্ষিত হয় (বৃষ্টির পানি) ২. মাটি থেকে যে পানি উদ্গিরণ হয় (প্রবহমান পানি) ৩. যে পানি বর্ষিতও হয় না, উদ্গিরণও হয় না (স্থির পানি)।

এ পানি যদি ৩৮৪ লিটার (প্রায়) এর বেশি পরিমাণ থাকে তাহলে তা ‘কুর পানি’ আর যদি উক্ত পরিমাণের চেয়ে কম থাকে তাহলে সেটাকে ‘কালিল পানি’ বলা হয়।

 

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔