মসজিদ পৃথিবীতে আল্লাহর ঘর হিসেবে পরিচিত মসজিদে নিয়মিত যাতায়তকারী ঈমান সুদৃঢ় হয়; ফলে সে শয়তানি প্ররোচনা ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে পারে। কাজেই মসজিদ শুধু ধর্ম চর্চা নয়, বরং যাবতীয় কার্যক্রমের কেন্দ্র বিন্দু হওয়া উচিত
মসজিদ সমাজের মানুষের মাঝে ধর্ম চর্চার বিস্তার এবং ন্যায় কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজ হতে বিরত রাখার সংস্কৃতির প্রসার ঘটায়। আর ন্যায় কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজ হতে বিরত রাখার সংস্কৃতির প্রবর্তনকারী হলেন স্বয়ং নবী-রাসূলগণ (আ.)।
এ সম্পর্কে ইমাম মুহাম্মাদ বাকের (আ.) থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিশ্চয় ন্যায় কাজের আদেশ ও অন্যায় কাজ হতে বিরত রাখার প্রথা হচ্ছে নবী-রাসূলদের (আ.) পন্থা এবং আওলিয়াগণের আদর্শ। এটি এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ বিধান যার বদৌলতে ইসলামের মৌলিক বিধানসমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
সুতরাং যদি কোন সমাজের লোকদের মাঝে পরস্পরকে ন্যায় কাজের প্রতি আদেশ ও অন্যায় কাজ হতে বিরত থাকার উপদেশের প্রচলন ঘটে, সে সমাজে আল্লাহর বিধানাবলী অতি সহজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। আর যারা মসজিদে যাতায়ত করে, তারা নিজেদের মধ্যে এ গুরুত্বপূর্ণ প্রথাটির বাস্তবায়ন ঘটাতে পারে।