১। যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ও স্বেচ্ছায় প্রনোদিত হবে এমন কাজ বা রোযাকে বাতিল করে দেয় সম্পাদন করে তবে তার রোযা বাতিল বলে গণ্য হবে।
২। রোযাদার যদি ভুলবশতঃ এমন কোন কাজ সম্পাদন করে যা রোযাকে বাতিল করে দেয় এবং পরে তার রোযা বাতিল হয়েছে বলে মনে করে ইচ্ছাকৃতভাবে ঐ সকল কাজের যে কোন একটি কাজ যা রোযাকে বাতিল করে সম্পাদন করে তাহলে ঐ ব্যক্তির রোযা বাতিল বলে গণ্য হবে।
৩। কোন জিনিস রোযদারের গলায় ভিথর জোরপূর্বক যদি ঢুকিয়ে দেয়া হয় অথবা মাথা পানির নিচে জোরপূর্বক ডুবিয়ে দেয়া হয় তবে তা বাতিল বলে গন্য হবে না। কিন্তু কোন ব্যক্তি কাউকে বাধ্য করে যেন সে নিজেই তার রোযাকে বাতলি করে যেমন তাকে বলে যে এ খাবার খাও নইলে তোমার প্রাণ অথবা সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া থেকে বাচার জন যদি সে উক্ত জিনিস খেয়ে নেয় তাহলে ঐ ব্যক্তির রোযা বাতিল বলে গণ্য হবে।
৪। রোযাদারের এমন কোন জায়গায় যাওয়া উচিত হবে না যার সম্পর্কে সে অবগত থাকে যে সেখানে গেলে তার মুখে জোরপূর্বক কোন জিনিস ঢুকানো হবে কিম্বা তাকে বাধ্য করা হবে তার রোযা বাতিল করতে। যা যদি এমন জায়গায় যেতে সে ইচ্ছা পোষণ করে পরে যদি সে সেখানে না যায় অথবা গেলেও খাবার জন্য তাকে বাধ্য না করা হয় তাহলে তার রোযা সঠিক। তবে হা, বাধ্য হয়ে অথবা অপরাগতার কারণে এমন কাজ যা রোযাকে বাতিল করে দেয় যদি সে সম্পাদন করে, তাহলে ঐ ব্যক্তির রোযা বাতিল বলে গণ্য হবে এবং যদি তার মুখে জোরপূর্বক কোন জিনিস ঢুকানো হয় এক্ষেত্রে তার রোযা বাতিল হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্দ্বকতা আছে।
314
আগের পোস্ট
