সূরা সাফফের তাফসীর

by Syed Yesin Mehedi

মুজাহিদদের প্রতি আল্লাহর পুরস্কার
‘আল্লাহর পথে পুঁজি বিনিয়োগ মানুষের জন্য শ্রেয়’ যদি কারও নিকট এ বিষয়টি বোধগম্য না হয়, তাহলে আসুন আপনাদের উদ্দেশ্যে বিষয়টি আরও সুস্পষ্ট ও এ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য তুলে ধরি- আল্লাহর পথে নিজেদের জান (প্রাণ) ও মাল (ধন-সম্পদ) উৎসর্গ করার মাধ্যমে আমরা কি কি পুরস্কার ও প্রতিদান গ্রহণ করি, সে সম্পর্কে আয়াতে বলা হচ্ছে, ‘তিনি তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন’ সূরা সাফফ : ১২
এটি হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বপ্রথম পুরস্কার| এখানে নির্দিষ্ট কোন গুনাহের কথা উল্লেখ করা হয় নি, বরং সামগ্রিক ও যাবতীয় গুনাহের প্রতি ইশারা করা হয়েছে| অর্থাৎ যদি কেউ আল্লাহর পথে জিহাদ করে এবং এ পথেয় জান ও মাল উৎসর্গ করে, তাহলে আল্লাহ তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন| হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, শহীদের শরীর মাটিতে স্পর্শ করার সাথে সাথে তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা হয়ে যায়| এটা কি কম কিছু? এর চেয়ে উত্তম ও শ্রেয় কি আর কিছু হতে পারে? মানুষ এ পৃথিবীতে আগমনের পর বয়ঃসন্ধি লাভের পর থেকে কত ধরনের গুনাহ ও ভুল-ভ্রান্তিতে লিপ্ত হয় তার কোন ইয়ত্তা নেই| প্রতিনিয়ত আমরা অহরহ ভুল—ভ্রান্তির শিকার হচ্ছি| এছাড়া আমাদের জীবনে যে সব ছোট-বড় গুনাহ রয়েছে সেগুলোর কোন হিসাব নেই| যদি আমরা এ সব গুনাহের হিসাব-নিকাশ করি তাহলে নিজেরাই হয়তো আঁতকে উঠবো| সুতরাং এ সব অগণিত ও অজস্র গুনাহসমূহের কাফফারা, সেগুলো আড়াল করা ও ক্ষমা লাভের সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে আল্লাহর পথে নিজেদের জান ও মাল উৎসর্গ করা| কুরআনের ভাষায়, তথা তিনি তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন|
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার পথে জিহাদ ও পুঁজি বিনিয়োগের প্রতিদান শুধুমাত্র বান্দার গুনাহ ক্ষমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেন নি; বরং এ পুরস্কার সম্পর্কে আয়াতে আরও উল্লেখ করা হচ্ছে,
“তোমাদের এমন উদ্যানসমূহে (বেহেশতসমূহে) প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত|” সূরা সাফফ : ১২

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔