বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
বিগত ১৩৪৫ হিজরীর ৮ই শাওয়াল, মোতাবে ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দের .. তারিখে, সৌদীর বর্তমান সরকার মদীনার মসজিদে নবভী সংলগ্ন, আল্লাহর রসুলের (সা.) আহলে বাইতের চারজন ইমাম এবং হযরত ফাতেমা (আ.) সহ বহু সাহাবী শায়িত কবরস্তান ‘জান্নাতুল বাকীকেদ বর্বরোচিতভাবে ধ্বংস করে দেয়। এই উপলক্ষ্যে বিশ্বের শিয়া জনগোষ্ঠী এবং আহলে বাইত প্রেমিক মুসলমানগণ দিনটিকে স্মরণ করে মজলিশ, মাতম, আলোচনা সভা ইত্যাদির ব্যবস্থা করার পাশাপাশি ‘জান্নাতুল বাকীকেদ পুনরনির্মাণের দাবী জানিয়ে আসছেন। আর এরই ধারাবাহিকতায় ২৮শে মার্চ ২০২৬ ইং, রোজ শনিবার (৮ই শাওয়াল ১৪৪৭ হি.) খুলনার ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্রে অবস্থিত ‘কাসরে হুসাইনি ইমাম বারগাহেদ এক মজলিশ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, হুজ্জাতুল ইসলাম সাইয়েদ ইবরাহিম খলিল রাজাভী এক মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।
বক্তা স্বীয় বক্তব্যে বলেন: শ্রেষ্ঠ দ্বীন, দ্বীনে ইসলাম। কাজেই এর বিধিবিধানগুলো আকলের (বুদ্ধিমত্তা) সঙ্গে সামঞ্জস্যশীল হওয়া উচিত। তওহীদ সহ উসুলে দ্বীন বা দ্বীনের মৌলিক বিশ্বাসগুলো আক্ল দ্বারা প্রমাণিত এবং এগুলো তাকলীদযোগ্য নয়; কেবলমাত্র ফুরুয়ে দ্বীনই তাকলীদযোগ্য।
আল্লাহর রসুল (সা.) স্বীয় জীবনের উপসংহারে বলেন: ুআমি তোমাদের মাঝে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রেখে যাচ্ছি। যতদিন যাবত তোমরা এ দুটিকে আঁকড়ে ধরে রাখবে ততদিন যাবত পথভ্রষ্ট হবে না। এ দুইয়ের একটি হচ্ছে কুরআন এবং অপরটি আহলে বাইত (আ.)। এ হাদীস প্রমাণ দেয় যে, কেউ আহলে বাইতের সান্নিধ্যে পৌঁছতে পারলে বুঝতে পারত যে, দ্বীন আক্ল সম্মত। আর এ কারণেই ততকালীন সমাজের সাহাবি, বুদ্ধিজীবি ও বিচারকগণ সহ সকলেই হযরত আলীর (আ.) নিকট রুজু করতেন। কিন্তু তাঁকে ও তাঁদেরকে পরিত্যাগ করার কারণেই লোকেরা দ্বীন হতে পৃথক হয়ে গেছে। হককে বাদ দিয়ে বাতিলকে গ্রহণ করেছে। হুসাইনকে (আ.) বাদ দিয়ে ইয়াযিদকে গ্রহণ করেছে।
