মসজিদ মুসলমানদেরকে খোদামুখী করার পাশাপাশি খোদাদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও সজাগ করে তোলে। যুগে যুগে এ খোদাদ্রোহী ও তাগুতি অপশক্তি ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়ে খোসামুখী মানুষের সামনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। কখনও ফিরাউন ও নমরুদ রূপে আবার কখনও আবু লাহাব ও আবু জেহেলের পরিচয়ে মানবজাতিকে নিষ্পেষিত করেছে। আর বর্তমান সময়ে আমেরিকা, ইসরাইল ও সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তিগুলো ঐসব খোদাদ্রোহী ও তাগুতিদেরই উত্তরসূরী। ইসলামের অভ্যুদয়ের সময় থেকেই মুসলমানরা সভ্যতা, জ্ঞান, অগ্রগতি ও মানবতার কাণ্ডারি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজকের মানবসভ্যতা ও আধুনিক বিজ্ঞান পরিপূর্ণভাবে ইসলাম ও মুসলমানদের কাছে চিরঋণী। কেননা, ইসলামের পূর্বে এ পৃথিবী ছিল অজ্ঞতা ও মূর্খতার অন্ধকারে
নিমজ্জিত। যুগে যুগে মুসলিম মনীষীরা তাদের সুগভীর জ্ঞান ও দীক্ষার মাধ্যমে মানবজাতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। ইসলামে জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষা অর্জনের উপর যে অপরিসীম গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, তা অন্য কোন ধর্মে খুঁজে পাওয়া যাবে না। ইসলামের প্রতিটি বিধান বুদ্ধিবৃত্তিক ও জ্ঞাননির্ভর। আমরা যদি ইসলামের জ্ঞানভাণ্ডার আল-কুরআনের প্রতি লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাব সেখানে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এভাবে প্রার্থনার শিক্ষা দিচ্ছেন, “বল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি কর।সূরা ত্বোহা :১১৪
” অপর একটি আয়াতে মূর্খ ও জ্ঞানহীন লোকের তুলনায় জ্ঞানীদের মর্যাদার প্রতি ইশারা করে উল্লেখ করা হয়েছে, “বল, যারা জানে এবং যারা জানে না, তারা কি সমান?”সুরা যুমার :৯
