ইমাম রেযা (আ.)’এর ঐতিহাসিক সফর (মদিনা থেকে মার্ভ)

by Syed Yesin Mehedi

ইরানের ইসলামি ইতিহাসে যেসকল ঘটনা ঘটেছে তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মদিনা থেকে মার্ভ’এর অভিমুখে ইমাম রেযা (আ.) এর সফর। উক্ত সফরের কারণে ইরানের মাটি আহলে বাইত (আ.) এর বেলায়াতের একটি কেন্দ্র বিন্দুতে রূপান্তরিত হয়।
যদিও ইমাম রেযা (আ.)’এর উক্ত সফরটি ছিল তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে। কেননা আব্বাসিয় খলিফা মামুনের জোরাজুরির কারণে ইমাম রেযা (আ.) বাধ্য হন মার্ভ অভিমুখে রওনা হতে। কিন্তু তিনি তাঁর উক্ত বাধ্যতামূলক সফরের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে সত্য দিশার নির্দেশনা দিয়ে যান। মামুনের নির্দেশের কারণে ইমাম রেযা (আ.)কে পরিকল্পিতভাবে নিদৃষ্ট পথ দ্বারা মদিনা থেকে মার্ভে নিয়ে আসা হয়। ইমাম রেযা (আ.)কে মদিনা থেকে বাসরা, বাসরা থেকে সুকুল আহওয়ায’এর পথ দিয়ে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে দিয়ে খোরাসান এবং তারপরে মার্ভে প্রবেশ করানো হয়। মদিনা থেকে মার্ভে আসার জন্য অন্য রাস্তাও সে যুগে ছিল যেমন: মদিনা থেকে কুফা, কুফা থেকে বাগদাদ, বাগদাদ থেকে রেই, রেই থেকে কুম, কুম থেকে খোরাসান এবং খোরাসান থেকে মার্ভ।
দ্বিতীয় উল্লেখিত রাস্তা থেকে এজন্য ইমাম রেযা (আ.)কে আনা হয়নি কেননা কুফা এবং কুম হচ্ছে আহলে বাইত (আ.) অনুসারিদের ঘাটি এবং বাগদাদ হচ্ছে আব্বাসিয়দের ঘাটি যারা ছিল ইমাম আলি (আ.)’এর বংশধরদের চরম শত্রæ। এমন যেন না হয় যে, তারা হজরত আলি (আ.) এর সন্তানদের সাথে শত্রুতা থাকার কারণে ইমাম রেযা (আ.)কে হত্যা করে দেয়। আর এ কারণে মামুন প্রথম পথটিকে সবচেয়ে বেশি নিরাপদ বলে মনে করে এবং উক্ত পথ দিয়ে ইমাম রেযা (আ.)কে মার্ভে নিয়ে আসে।

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔