অসীম দয়াময় ও অনন্ত করুণাময় আল্লাহর নামে
(১) আকাশমণ্ডলী ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, সার্বভৌমত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য; তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান| (২) তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাদের মধ্যে কতক মু’মিন এবং কতক কাফির; তোমরা যা সম্পাদন কর আল্লাহ তার দ্রষ্টা|
তাগাবুনের অর্থ
এ সূরার নাম হচ্ছে ‘সূরা তাগাবুন’| ‘তাগাবুন’ শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা এখানে তুলে ধরা প্রয়োজন, তা হচ্ছে- যখন কোনো দ্বিপাক্ষিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি পক্ষ সুষ্ঠু ও সঠিক লেনদেনের মৌলিক ও সুষম অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তখন শরিয়াতের পরিভাষায় তাকে বলা হয় মাগবুন তথা প্রবঞ্চিত ও প্রতারিত; অর্থাৎ উক্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে সে প্রবঞ্চনার শিকার হয়েছে| কাজেই غبن ‘গাবন’ বলতে কোনো লেনদেনে একটি পক্ষ প্রতারিত হওয়া কিংবা যথাযথ ও সুষম অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়াকে বুঝায়| আর تغابن ‘তাগাবুন’ বলতে বুঝায় উভয় পক্ষই যদি কোনো বিষয়ে প্রবঞ্চনা ও প্রতারনার শিকার হয়| এ কারণে এ সূরার নামকরণ করা হয়েছে ‘তাগাবুন’| অবশ্য এ সম্পর্কে পরে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে|
8
আগের পোস্ট
