ইমাম হাসান মুজতাবা (আ.)-এর অমিয় বাণী

by Syed Yesin Mehedi

১- ইমাম হাসান (আ.)বলেন:

উত্তম কাজসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হলো উত্তম চরিত্র। (ওয়াসায়েলুস শীয়া , খ: ১২ , পৃ: ১৫৩ ; বিহারুল আনওয়ার , খ: ৬৮ , পৃ: ৩৮৬ ; আল খেসাল , খ: ১ , পৃ: ২৯)

২- ইমাম হাসান (আ.) বলেন:

নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন না করা হলো নিচুতা ও হীনমন্যতার পরিচয়। (বিহারুল আনওয়ার , খ: ৭৫ , পৃ: ১০৫ ; তুহাফুল উকুল , পৃ: ২৩৩)

৩- ইমাম হাসান (আ.) বলেন:

প্রতিবেশীর সাথে উত্তম ব্যবহার করো , যাতে করে প্রকৃত মুসলিম হতে পারো।(বিহারুল আনওয়ার , খ: ৭৫ , পৃ: ১১২ ; কাশফুল গুম্মাহ , খ: ১ , পৃ: ৫৫৬ ; মাজমুয়ে ওয়ারাম , খ: ২ , পৃ: ২১৬)

৪- ইমাম হাসান (আ.) বলেন:

“আপনজন হলো সেই ব্যক্তি যে বন্ধুত্বের কারণে নিকটে থাকে , যদিও সে বংশিয়ভাবে নিকটতম না হয়। আর দূরতম ব্যক্তি হলো যাকে বন্ধুত্ব দূরে ঠেলে দেয় যদিও সে বংশের দিক থেকে নিকটে।

 ( আল কাফী , খ: ২ , পৃ: ১৪৩ ; বিহারুল আনওয়ার , খ: ৭৫ , পৃ: ১০৬ ; তুহাফুল উকুল , পৃ: ২৩৪ )

৫-ইমাম হাসান (আ.) বলেন:

অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করো না। বরং তাকে মাফ চাওয়ার সুযোগ দাও। ( বিহারুল আনওয়ার , খ: ৭৫ , পৃ: ১১৩ , ১১৫ ; আল আদাদুল কাভিয়া , পৃ: ৩৭)

৬- ইমাম হাসান (আ.) বলেন:

মানুষ যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের কথা মেনে চলতো তাহলে আসমান রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করত এবং জমিন তার বরকতসমূহ দান করত। আর উম্মতের মধ্যে কোন ধরণের অনৈক্য সৃষ্টি হত না এবং কিয়ামত পর্যন্ত সবুজ শ্যামল দুনিয়ার নেয়ামত থেকে উপকৃত হত। (বিহারুল আনওয়ার , খ: ১০ , পৃ: ১৪২ ; আমালিয়ে শায়খ তুসী , পৃ: ৫৬৬)

৭- ইমাম হাসান (আ.)বলেন:

বালা-মুসিবত প্রতিদানের চাবি স্বরূপ। (বিহারুল আনওয়ার , খ: ৭৫ , পৃ: ১১৫ ; আ’ লামুদ্দীন , পৃ: ২৯৭ ; মাসকানুল ফুয়াদ , পৃ: ৪৩ ; আল আদাদুল কাভিয়া , পৃ: ৩৭)

৮- ইমাম হাসান (আ.) বলেন: 

তিনটি জিনিস মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়: ১- অহংকার  ২-লোভ লালসা ৩- হিংসা।(বিহারুল আনওয়ার , খ: ৭৫ , পৃ: ১১১ ; কাশফুল গুম্মাহ , খ: ১ , পৃ: ৫৭১)

৯- ইমাম হাসান (আ.) বলেন:

এ দুনিয়ায় কুরআন ছাড়া অন্য কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। অতএব তোমরা কুরআনকে পথ প্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করলে সে তোমাদেরকে সত্যপথ দেখাবে। যে ব্যক্তি কুরআন শরীফের বিধান অনুযায়ী আমল করবে সে কুরআনের বেশী নিকটে থাকবে যদিও সে কুরআনের হাফেয নাও হতে পারে , পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি কুরআনের বিধান অনুযায়ী আমল না করবে সে কুরআন থেকে অনেক দূরে থাকবে যদিও সে কুরআন তেলাওয়াত করে। (ইরশাদুল কুলুব , খ: ১ , পৃ: ৭৯)

 

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔