নিয়ত

by Syed Yesin Mehedi

সে ব্যক্তির নিয়ত বিশুদ্ধ যার আছে সুস্থ অন্তর , কারণ সুস্থ অন্তর নিষিদ্ধ বিষয়ের চিন্তা থেকে মুক্ত। তা আসে সব বিষয়ে একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার জন্য তোমার নিয়ত করা থেকে।

) ي َوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ ﴿٨٨﴾ إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّـهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ(

‘‘ সেদিন না সম্পদ না সন্তানাদি কোন কাজে আসবে শুধু সে ছাড়া যে আসবে কদর্যতা মুক্ত অন্তর নিয়ে।’’ (সূরা শুয়ারাঃ ৮৮-৮৯)

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেনঃ‘‘ বিশ্বাসীর নিয়ত তার কাজের চাইতে উত্তম।’’ এবং আরো বলেছেনঃ‘‘ কাজ নিয়তের উপরে নির্ভরশীল , এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যা সে নিয়ত করেছিলো।’’ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার বান্দাহর তাই অবশ্যই খালেস নিয়ত থাকতে হবে প্রত্যেক ক্রিয়া ও স্থিরতার মুহূর্তে। কারণ সে ক্ষেত্রে সে উদাসীন থাকবে না। যারা উপেক্ষাকারী তারা তিরস্কৃত হয়েছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছেঃ

) إ ِنْ هُمْ إِلَّا كَالْأَنْعَامِ بَلْ هُمْ أَضَلُّ سَبِيلًا(

‘‘ তারা গবাদিপশুর মত ছাড়া আর কিছু নয় , না তারা পথ থেকে আরো দূরে সরে যাচ্ছে।’’ (সূরা ফুরকানঃ ৪৪)

) أ ُولَـٰئِكَ هُمُ الْغَافِلُونَ(

‘‘ এরা হচ্ছে উদাসীন।’’ (সূরা আরাফঃ ১৭৯)

নিয়ত আসে অন্তর থেকে জ্ঞানের বিশুদ্ধতা অনুযায়ী। এটি পরিবর্তিত হয় বিশ্বাস পরিবর্তনের সাথে সাথে। বিভিন্ন সময়ে এর শক্তি ও দূর্বলতার তারতম্য হয়। যাদের খালেস নিয়ত রয়েছে তাদের স্বার্থপরতা ও কামনা বাসনা পরাভূত হয়েছে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার তাসবীহ করার শক্তি ও তাঁর সামনে বিনয়ের কাছে। সে তার প্রকৃতি , তার ক্ষুধা এবং তার কামনা বাসনার কারণে একটি অসুবিধার মধ্যে আছে তবুও অন্যরা তার কাছে স্বস্তি খুঁজে পায়।

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔