সূরা সাফফের তাফসীর

by Syed Yesin Mehedi

এমনও অনেক মুসলমান আছে -যে ধরনের লোকেরা রাসূলের (সা.) যুগেও ছিল, পরবর্তী সময়েও ছিল, আমাদের দেশে অতীতেও ছিল এখনও আছে এবং বর্তমানেও অধিকাংশ মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহে এমন লোকের সংখ্যা কম না- যদি তাদেরকে বলা হয় যে, আপনারা তো খাঁটি মুসলমান না; তাহলে তাদের খারাপ লাগে। প্রতিক্রিয়াতে তারা ক্রুদ্ধ হয়ে আবোল-তাবোলও বলে থাকে। কিন্তু যদি তাদেরকে বলা হয় যে, খাঁটি মুসলমানকে অবশ্যই খোদাদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, তাগুত শক্তিগুলোর কাছে মাথানত করা যাবে না, নিজেদের আরাম-আয়েশকে ত্যাগ করে হলেও আল্লাহর আদেশাবলি পালনে এগিয়ে আসতে হবে; এমতাবস্থায় তারা নিজেদের ঈমানি দায়িত্ব পালনে কোন রকম তৎপরতা দেখায় না। আপনারা লক্ষ্য করবেন মুসলিম দেশসমূহের কর্তা ব্যক্তিরা, মুসলিম বুদ্ধিজীবি, চিন্তাবিদ, বক্তা এমনকি কিছু আলেমও প্রভাবশালী ও শক্তিধরদের সাথে আঁতাত করে চলে; যদিও তারা ভালভাবে অবহিত আছে যে, ইসলাম এমন আচরণকে সমর্থন করে না। তারা আমেরিকা ও পরাশক্তিবর্গের বশ্যতা মেনে চলে। যদিও তারা জানে যে, এমন বশ্যতা সরাসরি আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) আদেশ পরিপন্থী। তারা কি তাগুতী শক্তিগুলোর মোকাবেলায় মহান আল্লাহর আদেশাবলি মান্য করে চলে? না, মোটেও না। বরং তারা ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর আদেশাবলিকে মান্য করে যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের স্বার্থহানির কোন সম্ভাবনা না থাকে। যেমন আচরণ হযরত মূসার (আ.) সম্প্রদায়ের লোকেরা করত। যখন তারা পবিত্র ভূমির নিকটবর্তী হয়, তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের প্রতি আদেশ করা হয়-
তোমরা সেই পবিত্র ভূখণ্ডে প্রবেশ কর যাকে আল্লাহ তোমাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে ফিরে যেও না।

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔