by Syed Yesin Mehedi

আর এ শাস্তি হচ্ছে খুবই কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি অথবা তা কঠিনতম শাস্তিসমূহের অন্যতম। অবশ্য এ আয়াতে ‘বেদনাদায়ক শাস্তি’র ধরণ, প্রকৃতি কিংবা সীমা-পরিসীমা নির্দিষ্ট করা হয় নি; বরং শুধুমাত্র উল্লেখ করা হয়েছে যে, أَ ‘তোমাদের বেদনাদায়ক শাস্তি হতে রক্ষা করবে।’
যাইহোক, আল কুরআন এ ব্যবসাকে মু’মিনগণের নিকট পরিচয় করাতে চায়। আল্লাহ কুরআনের এ আয়াতে এক প্রশ্নের আঙ্গিকে জানতে চেয়েছেন- তোমরা কী চাও যে, তোমাদেরকে এমন ব্যবসায়ের পরিচয় করাবো যার মাধ্যমে তোমরা বেদনাদায়ক শাস্তি হতে নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারবে এবং মূল্যবান পুঁজি বিনষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে কিয়ামতের দিন যাতে তোমাদের অনুতপ্ত হতে না হয়? রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে যে, এ আয়াতটি যখন রাসূলুল্লাহ (সা.) মুসলমানদের সম্মুখে তেলাওয়াত করে শোনান তখন উপস্থিত মুসলমানরা এক বাক্যে আরজ করলেন- জীঁ, হে রাসূল (সা.) আপনি আমাদেরকে বলুন যে, ঐ ব্যবসাটি কি, যাতে আমরা নিজেদের জান ও মালসমূহকে সে পথে বিনিয়োগ করতে পারি। অতঃপর মহানবী (সা.) মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলা শুরু করেন- ‘(তা এই যে,) তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর।’ ‘তোমরা আল্লাহর পথে জিহাদ কর।’ আর এ জিহাদ হচ্ছে- ‘তোমাদের ধন-সম্পদ ও তোমাদের জীবন দ্বারা।’ অর্থাৎ সে ব্যবসাটি হচ্ছে এটাই। এখন আপনাদের নিকট সুস্পষ্ট হয়েছে যে, ব্যবসাটি কিভাবে সম্পন্ন করতে হবে? কিভাবে ক্ষতি ও বেদনাদায়ক শাস্তি থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করা সম্ভব তা কি বুঝতে পেরেছেন?

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔