হযরত মুহাম্মদ(সা.) দৃষ্টিতে ইমাম হাসানের (আ.) মর্যাদা

by Syed Yesin Mehedi

হযরত ইমাম হাসানের (আ.) সম্মান ও মর্যাদার ব্যাপারে হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছিলেন। এখন এ ব্যাপারে কিছু আলোচনা করব:

১। ইবনে আব্বাস বলনে: একদা হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ইমাম হাসানকে (আ.) কাঁধে বহন করছিলেন। জনৈক ব্যক্তি এ দৃশ্য দেখে বলল: “হে বালক! তুমি কত সুন্দর বাহনে উঠেছ!” হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বললেন: و نِعْمَ الرَّاكِبُ هُوَ ” এবং তিনি [ইমাম হাসান (আ.)] কত সুন্দর আরোহী। ( কাশফুল গুম্মাহ,১ম খন্ড, পৃ.৫২০ )

হয়ত বা এখানে হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বোঝাতে চেয়েছেন, আমার কাঁধে উঠে সে যতটা আনন্দ পেয়েছে, তাকে কাঁধে উঠিয়ে আমি তাঁর থেকে অধিক আনন্দ অনুভব করছি।

২। আবি বাকারা নামক এক ব্যক্তির নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে, একদা হযরত মুহাম্মাদ (সা.) জামাতে নামাজ পড়াচ্ছিলেন এবং সিজদারত অবস্থায় ছিলেন। এমতাবস্থায় শিশু-কিশোর ইমাম হাসান (আ.) আসলেন এবং তিনি তাঁর পিঠে অথবা ঘাড়ে উঠলেন। রাসূলাল্লাহ (সা.) তাকে আস্তে করে ধরে নিচে নামালেন। নামাজ শেষে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ জিজ্ঞাসা করল: “হে রাসুলাল্লাহ। আপনি এ শিশুর সাথে এমন ব্যবহার করেন, যা কারো সাথে করেন নি এবং করেনও না?” তখন তিনি বললেন: এই শিশু আমার সুগন্ধি ফুল এবং সত্যিকার অর্থে আমার এ সন্তান অনেক মহৎ এবং আশা করছি এ শিশুর মাধ্যমে মহান আল্লাহ মুসলমানদের দু’টি বৃহৎ দলের মধ্যে সন্ধি স্থাপন এবং সংশোধন করবেন।( কাশফুল গুম্মাহ,১ম খন্ড, পৃ.৫৬৫ )

৩। এ ঘটনাটিও আবি বাকারা হতে বর্ণিত হয়েছে, হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর খোৎবা প্রদানের সময় ইমাম হাসান (আ.) আসলেন এবং মিম্বারে তাঁর নানাজির নিকট গেলেন। রাসূলাল্লাহ (সা.) তাকে কোলে নিয়ে বললেন: ” নিঃসন্দেহে এ শিশু অতি মহৎ এবং আশা করছি এ শিশুর মাধ্যমে মহান আল্লাহ মুসলমানদের দু’টি বৃহৎ দলের মধ্যকার সমস্যা সমাধান করবেন।( কাশফুল গুম্মাহ,১ম খন্ড, পৃ.৫২৯ )

 

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔