মাসআলা (১১৩১): যে মৃত জমিকে ফলদ বাগানে পরিণত করার জন্য পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে, আয়ের থেকে এ বাবদ যে খরচ করা হয়েছে তার খুমস প্রদান করতে হবে।
মাসআলা (১১৩২): অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে প্রত্যেক অংশীদারের তার অংশের খুমস পরিশোধ করা ওয়াজিব। একারণে যেসব লোক অলাভজনক মাদ্রাসা/স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়, তাদের প্রত্যেকের জন্য ওয়াজিব হলো কোম্পানির পুঁজি হিসাবে সে যে অংশ দিয়েছে, তার খুমস প্রদান করা। একইভাবে যখন কোনো অংশীদারিত্বের পুঁজি হতে কোনো লভ্যাংশ প্রাপ্ত হবে, তখন তার লাভের অংশ হতে জীবন নির্বাহ খরচ মেটানোর পর খুমসবর্ষের মাথায় উদ্বৃত্ত টাকার খুমস পরিশোধ করা ওয়াজিব।
মাসআলা (১১৩৩): কোম্পানির পুঁজির ও তা থেকে উপার্জিত লভ্যাংশের খুমস পরিশোধ করা উক্ত কোম্পানির মোট সম্পদে প্রত্যেক সদস্যের স্ব স্ব অংশের ব্যাপারে তারই কর্তব্য। কোম্পানির ম্যানেজিং কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক এ কাজ করা (ও বৈধতা) নির্ভর করবে কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের নিকট থেকে প্রতিনিধিত্বমূলক অনুমতি গ্রহণের উপর।
সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম বই থেকে সংগ্রহীত
হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত
