খুমসের আহকাম

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

by Syed Yesin Mehedi

মাসআলা (১১৬৬): ভাড়াটিয়া যে অগ্রিম টাকা বাড়ির মালিককে প্রদান করে থাকে, তা যদি ভাড়াটিয়ার উপার্জিত মুনাফা থেকে হয়ে থাকে, তাহলে খুমসবর্ষ অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাতে খুমস ধার্য হবে। আর ভাড়াটিয়া যখনই বাড়ির মালিকের নিকট হতে উক্ত টাকা ফেরত গ্রহণ করতে পারবে তখনই তার খুমস পরিশোধ করতে হবে।
মাসআলা (১১৬৭): বর্তমানে যে সকল ব্যক্তি হজ্জ কিংবা ওমরাহ গমনের উদ্দেশ্যে সিরিয়াল পাওয়ার জন্য মুদারাবা চুক্তির অধীনে কিছু টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে রাখে এবং তাতে কিছু মুনাফাও আসে এবং যখন হজ্জ কিংবা ওমরাহর সিরিয়াল আসে, তখন ঐ টাকা মুনাফাসহ উত্তোলন করে হজ্জ ও যিয়ারত সংস্থার (তথ্য এজেন্সির) কাছে জমা প্রদান করে এবং হজ্জ ও ওমরাহ’য় গমন করে, এমতাবস্থায় ব্যাংকে জমা দেওয়ার ঐ খুমসবর্ষেই যদি তারা হজ্জে গমন করে তাহলে ঐ টাকায় খুমস নেই। কিন্তু যদি তাদের সিরিয়াল ঐ খুমসবর্ষের পরে আসে তাহলে যদি জমা দেওয়া মূল টাকা খুমস অপরিশোধকৃত আয়ের টাকা থেকে হয়ে থাকে তাহলে তাতে খুমস ধার্য হবে। আর অর্জিত মুনাফা যদি হজ্জে রওনা হওয়ার বছরের আগে প্রাপ্তিযোগ না থাকে, তাহলে তা প্রাপ্তির বছরের আয় হিসাবে গণ্য হবে এবং তা যদি ঐ বছরেই খরচ হয় তাহলে খুমস নেই।

সূত্রঃ রেসালায়ে মুস্তাখাব আল-আহকাম  বই থেকে সংগ্রহীত

হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়েদ আলী খামেনেয়ী (মুদ্দা যিল্লুহু )- এর ফতোয়া অনুযায়ী সংকলিত

সম্পর্কযুক্ত পোস্ট

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
লিংক কপি হয়েছে ✔